এর ফলে তাকে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একই সঙ্গে তাকে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও দেয়া হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে আচরণবিধির ২.৪ ধারা ভঙ্গের দায়ে নাবির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই ধারায় বলা আছে, আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালে আম্পায়ারের নির্দেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ঘটনাটি ঘটে আহমেদাবাদে বুধবার আফগানিস্তানের রান তাড়ার সময়, ১৪তম ওভার শুরুর আগে। নতুন স্পেলে বোলিংয়ে আসেন প্রোটিয়া পেসার লুঙ্গি এনগিডি। তর বাঁ হাতে ছিল সাদা রিস্ট ব্যান্ড। নবির দাবি, সাদা বলের সঙ্গে রিস্ট ব্যান্ডের রঙ মিলিয়ে যাওয়ায় বল দেখতে অসুবিধা হচ্ছে।
তিনি এনগিডিকে রিস্ট ব্যান্ড খুলে ফেলতে বলেন। তবে এনগিডি তাতে সম্মত হননি। এ সময় নবিকে এগিয়ে গিয়ে কথা বলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠের দুই আম্পায়ার বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকত ও ভারতের জয়ারামান মদনগোপাল এগিয়ে আসেন।
আম্পায়ারদের সঙ্গেও কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় তাকে। এরপর মাঝে ছুটে আসেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করামও। ম্যাচ শেষে মাঠের দুই আম্পায়ার, টিভি আম্পায়ার ও চতুর্থ আম্পায়ার যৌথভাবে নবির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনেন। নবি নিজের দায় স্বীকার করে নেন এবং ম্যাচ রেফারির দেওয়া শাস্তি মেনে নেন।