টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছিলেন ওয়ালশ। পেশাদার ক্রিকেট ছাড়লেও ক্রিকেটের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন তিনি। ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিনিয়র নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ পেস বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন।
তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফি বিন মুর্তজাদের সঙ্গে কাজ করেছেন ২০১৯ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ পর্যন্ত। বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কাজ করেছেন জিম্বাবুয়ে নারী দলের সঙ্গেও। এবার ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দায়িত্ব সামলাবেন জিম্বাবুয়ে পুরুষ দলের বোলিং পরামর্শক হিসেবে।
জিম্বাবুয়ের বিশ্বকাপ দলে ব্লেসিং মুজারাবানির সঙ্গে পেস বোলিং বিভাগে আছেন রিচার্ড এনগারাভা ও টিনোটেন্ডা মাপোসা। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে ব্র্যাড ইভান্স ও তাশিঙ্গা মুসেকিয়াকে। এ ছাড়া স্পিনার হিসেবে অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সঙ্গে আছেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও গ্রায়েম ক্রেমার। জিম্বাবুয়ের বোলিং ইউনিট নিয়ে বেশ খুশি ওয়ালশ।
এ প্রসঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি সাবেক পেসার বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা পরিকল্পনা ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে, দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করলে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলে আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনা আছে। বোলিং বিভাগের কম্বিনেশন দেখেও ভালো লেগেছে, দলের ভেতরে থাকা সম্ভাবনাও চোখে পড়েছে।’
ওয়ালশকে দায়িত্ব দেয়ার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জেডসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিভমোর মাকোনি বলেন, ‘বৈশ্বিক মঞ্চে সফল হতে প্রস্তুতিতে কী লাগে, তা বোঝেন এমন কাউকে দরকার ছিল আমাদের। আগামীর চ্যালেঞ্জের জন্য আমাদের বোলিং বিভাগকে আরও ধারালো করতে কোর্টনির জ্ঞান, পেশাদারত্ব এবং খেলোয়াড়দের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষমতা অমূল্য।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া, ওমান এবং আয়ারল্যান্ড। জিম্বাবুয়ের সবগুলো ম্যাচই হবে শ্রীলঙ্কার তিনটি ভেন্যুতে। দুইটিতে কলম্বোতে এবং একটি ম্যাচ হবে পাল্লেকেলেতে। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া জিম্বাবুয়ে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে।