বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) সাফল্য পাওয়ার পর ২০২৪ সালে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচের দায়িত্ব পান সালাহউদ্দিন। প্রথম দফায় অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয় তার। তবে তামিম ইকবাল বিসিবি সভাপতি হওয়ার পর জাতীয় দল থেকে সালাহউদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিসিবির দিক থেকে প্রস্তাব আসার পর সেটাতে রাজিও হয়েছেন তিনি। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার পর ড্রেসিং রুমে জাতীয় দল থেকে বিদায় নিয়েছেন সালাহউদ্দিন। দ্রুতই এইচপির প্রধান কোচ হিসেবে কাজ শুরু করবেন তিনি। যেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত প্রজন্মকে গড়ে তোলার দায়িত্ব সামলাবেন দেশসেরা এই কোচ।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘দেখুন— জীবনে বেঁচে থাকলে আপনাকে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। চ্যালেঞ্জ ছাড়া বেঁচে থাকার তো দরকার নাই। চ্যালেঞ্জ না, আমি বলব এটা (এইচপি) আরেকটা রোমাঞ্চকর জায়গা যেখানে হয়ত আরেকটু ভালো কাজ করতে পারব, দেশকে ভালো সার্ভিস দিতে পারব। দেশের আরেকটা প্রজন্ম যদি আরেকটু ভালো হয় তাহলে এই কাজটা মনে হয় আরও বেশি মহৎ। এই কারণে এখানে আসা।’
নাজমুল হাসান পাপনের বোর্ড বাংলাদেশ টাইগার্স নামে একটি প্রজেক্ট চালু করেছিল। বাংলাদেশের ক্রিকেট কাঠামোতে আর বাংলাদেশ টাইগার্স থাকছে না। তবে সেখানে যুক্ত করা হয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। এইচপি থেকে ক্রিকেটার উঠে আসবে আবার জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও সেখানে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন। আবার কখনো জাতীয় দলে কাজ করবেন কিনা এমন প্রশ্নে সালাহউদ্দিন জানান, যেখানে কাজ করে মজা পাব সেখানেই করব।
তিনি বলেন, ‘দেখুন— দিন শেষে আমি কোচ। আমি কোনদিন বলি নাই যে আমাকে জাতীয় দলের কোচ বানাতে হবে। আমি কিন্তু বলিনি, আপনারা বানিয়েছেন, আপনারা দিয়েছেন এবং আপনারা ব্যাক করেছেন। আমার কোনো সমস্যা নাই। দিন শেষে আমি কোচ। আমি যেখানে কাজ করে মজা পাবো আমি সেই কাজটাই করব।’