কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব (এসএসসি) মাঠে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী ম্যাচটি। চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালে এই ভেন্যুতেই প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। এর আগে থাকবে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
চূড়ান্ত সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলবে ১৭ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ১৭ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত এসএসসি মাঠে মোট পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর খেলা গড়াবে ডাম্বুলা ও ক্যান্ডিতে। শেষপর্যায়ে নকআউট পর্ব ও ফাইনালের জন্য আবারও কলম্বোতে ফিরবে টুর্নামেন্ট। প্লে অফে পর্বের ভেন্যু হবে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম।
এবারের আসরে অংশ নেবে পাঁচটি দল- জাফনা, কলম্বো, ক্যান্ডি, গল ও ডাম্বুলা। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ফ্র্যাঞ্চাইজি নাম কিংবা করপোরেট মালিকানার ঘোষণা আসেনি, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দলগুলোর নাম ও ব্র্যান্ডিং প্রকাশ করবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)।
খেলোয়াড় নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ৮ মে থেকে, যা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সরাসরি চুক্তিভিত্তিক খেলোয়াড় দলে ভেড়ানোর সুযোগ থাকবে ২২ মে পর্যন্ত, তবে সব ক্যাটাগরির নিবন্ধনের শেষ সময় ২০ মে। গত দুই মৌসুমে খেলোয়াড় নিলাম হলেও এবার ফিরছে ড্রাফট পদ্ধতি। আগামী ১ জুন অনুষ্ঠিত হবে প্লেয়ারস ড্রাফট।
ড্রাফট পদ্ধতি ফিরে আসায় আগের মৌসুমের কোনো খেলোয়াড় ধরে রাখার সুযোগ থাকছে না। ফলে দলগুলোর স্কোয়াডে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। প্রতিটি দলে ন্যূনতম ১৮ জন খেলোয়াড় রাখতে হবে, পাশাপাশি আরও দুইজন সেই শহরের স্থানীয় খেলোয়াড় যোগ করার সুযোগ থাকবে।
নতুন প্রতিভা তুলে আনতে নতুন কিছু নিয়মও করেছে এসএলসি। প্রতিটি স্কোয়াডে অন্তত দুজন স্থানীয় অনূর্ধ্ব-২৩ এর ক্রিকেটার রাখতে হবে এবং তাদের মধ্যে একজনকে একাদশে খেলানো বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি প্রতি ম্যাচের একাদশে চারজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলাতে পারবে দলগুলো।
খেলোয়াড় নিবন্ধন নীতিমালা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছুটা বিতর্কও তৈরি হয়েছিল। প্রাথমিক খসড়ায় বলা হয়েছিল, আইকন ও স্টার ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের নিবন্ধনের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কমপক্ষে আড়াই লাখ অনুসারী থাকতে হবে। পরে সমালোচনার মুখে সেই শর্ত প্রত্যাহার করে নেয় এসএলসি।
এবারের এলপিএলে খেলোয়াড়দের মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সম্পৃক্ততা বিষয়েও আলাদাভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত মিডিয়া কার্যক্রম বা সামাজিক মাধ্যম সম্পৃক্ততায় অংশ না নিলে ম্যাচ ফির ৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।