বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউএই’র মধ্যকার ক্রিকেট সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেট উন্নয়নে ইউএই সরকারের আগ্রহের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।
আলোচনায় আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ, আধুনিক টার্ফ সুবিধা, ইনডোর ট্রেনিং অবকাঠামো এবং বায়োমেকানিক্যাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়। পাশাপাশি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স উন্নয়নে স্পোর্টস সায়েন্স ও প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতার বিষয়ও গুরুত্ব পায়।
ক্রিকেটের বাইরেও বাংলাদেশে সোলার এনার্জি ও এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউএই।
বৈঠক শেষে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিতে হলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউএই’র মতো একটি দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব দেশের ক্রিকেটের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং দেশের ক্রিকেট কাঠামোকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। ইউএই শুধু ক্রিকেট নয়, স্পোর্টসের কেন্দ্র গড়ে তুলেছে৷ তাদের অবকাঠামো অনেক উন্নত। আমরা চেষ্টা করবো তাদের সঙ্গে অবকাঠামোগত দিকগুলো নিয়ে কাজ করতে।
এসময় ইউএই রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক সাফল্যে শুভকামনা জানিয়েছেন।