ভারতের গণমাধ্যম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের কিছু সঙ্গিনীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাবশালী পরিচিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। জানা গেছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ আগে অনলাইন বাজির প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি কিছু খেলোয়াড় ও তাদের সঙ্গিনীর মধ্যে বিরোধ এবং ব্যক্তিগত অভিযোগের ঘটনাও সামনে এসেছে, যা প্রতিযোগিতা ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলেছে।
এ প্রসঙ্গে সংস্থার এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন যদি এটা বন্ধ না করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যা তৈরি করবে। আমরা এমন ঘটনাও দেখেছি, যেখানে সঙ্গিনীদের জন্য দলীয় বাস অপেক্ষা করছে এবং তারা খেলোয়াড়দের সঙ্গে একই হোটেলে থাকছেন।’
তিনি আরও জানান, কিছু ক্ষেত্রে খেলোয়াড়রা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সঙ্গিনীর পরিচয় দেয়ার পর দুর্নীতি দমন শাখার কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি জানি না এই আনুষ্ঠানিক সঙ্গিনী নিয়ম কোথা থেকে এলো। আমাদের নীতিমালায় এমন কোনো বিধান নেই। আমরা কেবল স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অনুমতি দিয়ে থাকি। এই অনুমতির বৈধতা নিয়ে তদন্ত প্রয়োজন।’
এদিকে কিছু সঙ্গিনী সামাজিক মাধ্যমে পরিচিত হওয়ায় অনিচ্ছাকৃতভাবে সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের ঝুঁকিও দেখছে সংস্থাটি। এমন ঘটনা ঘটলে খেলার স্বচ্ছতা ও সঠিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আগামী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চায় বিসিসিআই। প্রতিযোগিতায় এই প্রবণতা বন্ধ করতে কঠোর নিয়ম চালুর সম্ভাবনাও রয়েছে। একই নিয়ম ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রয়োগ করা হতে পারে। যদিও দলগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন, তবুও কেন্দ্রীয়ভাবে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বোর্ড।