বর্তমানে বোর্ড প্রধানের দায়িত্বে থাকা তামিমের কাছেই বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছিল পেশোয়ার। দলের হয়ে খেলা দুই বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামের জন্য একদিন বাড়তি এনওসি'র প্রয়োজন ছিল তাদের। সেই অনুরোধ রাখেন তামিম, যা পরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে মাঠের লড়াইয়ে।
এই বাড়তি সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে দারুণ প্রভাব রাখেন দুই পেসার। বিশেষ করে শেষ ভাগের বোলিংয়ে তারা পেশোয়ারের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। দলটির কর্ণধার জাভেদ আফ্রিদি তাই কৃতজ্ঞতা জানাতে দেরি করেননি।
এক্স পোস্টে
জাভেদ আফ্রিদি লিখেন, 'ভাই তামিম ইকবাল, গত দুই ম্যাচে নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামকে খেলার সুযোগ দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।'
জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক সূচির কারণেই মূলত এই প্রতিযোগিতায় ছেদ পড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে। সামনে রয়েছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ, আর তার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামার পরিকল্পনা করা হয়েছে বিসিবির পক্ষ থেকে।
তবে পেশোয়ার শিবির এখনো আশাবাদী। একই বার্তায় জাভেদ আফ্রিদি আরও একটি অনুরোধ জানান, যেখানে তিনি দুই পেসারকে আবার দলে ফেরানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন, 'জালমির সমর্থকেরা তাদের একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব আবার দলে দেখতে চায়। অনেক দোয়া ও ভালোবাসা।'
পারফরম্যান্সের দিক থেকেও এই দুই বোলার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন। নাহিদ রানা কয়েক ম্যাচে একাধিক উইকেট তুলে নিয়ে দলের আক্রমণে ধার বাড়ান। অন্যদিকে শরিফুল ইসলামও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন।
পেশোয়ারের হয়ে চার ম্যাচ খেলে নাহিদ রানা উইকেট পেয়েছেন সাতটি। ইকোনমি রেট ছিল ছয়েরও নিচে। পাঁচ ম্যাচ খেলে দুই উইকেট নিয়েছেন শরিফুল। তাদের বিদায়ে পেশোয়ারের বোলিং শক্তিতে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।