ঘটনার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় সংস্থাটি। দুর্নীতিবিরোধী ও নিরাপত্তা ইউনিট থেকে ভিন্দরকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে কেন তিনি ডাগআউটে বসে ফোন ব্যবহার করেছিলেন।
এই প্রসঙ্গে এক কর্মকর্তা বলেন, 'আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটকে নির্দেশ দিয়েছি।'
জানা গেছে, ভিন্ডারের ফোন ব্যবহারের পেছনে স্বাস্থ্যগত কারণ থাকতে পারে। অতীতে তিনি গুরুতর অসুস্থতায় ভুগেছেন এবং ফুসফুসজনিত সমস্যার কারণে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। সেই বিবেচনায় তাকে ফোন সঙ্গে রাখার অনুমতি দেয়া হলেও ব্যবহার করার অনুমতি ছিল না।
একটি সূত্র জানায়, 'স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে তার ওজন অনেক কমে গেছে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যাও রয়েছে। তাই দীর্ঘ পথ হাঁটা বা সিঁড়ি ভাঙা তার জন্য কঠিন। ফোনটি তার কাছে ছিল মূলত এই কারণেই, তবে তিনি কোনো কল করেননি, শুধু দেখছিলেন।'
একই সঙ্গে বলা হয়েছে, তিনি নিয়মকানুন সম্পর্কে অবগত এবং নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ পাবেন। ঘটনাটি আরও আলোচনায় আসে কারণ ভিন্ডার তখন দলের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীর পাশেই বসেছিলেন। তখনই প্রশ্ন ওঠে মাঠের শৃঙ্খলা নিয়ে।
এদিকে আরেকটি সূত্রের ভাষ্য, 'আমরা আশা করি তদন্তকারীরা ভিন্ডারের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন। ড্রেসিংরুমে যেতে হলে তাকে বেশ কিছুটা পথ হাঁটতে ও সিঁড়ি উঠতে হয়, তাই হয়তো ডাগআউটেই ফোন দেখার প্রয়োজন হয়েছিল।'