হায়দরাবাদ কিংসম্যানের বিপক্ষে ১৯ রানে এক উইকেট নিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। করাচি কিংসের বিপক্ষে বাঁহাতি পেসারের শিকার ২০ রানে ১ উইকেট। মুলতান সুলতান্সের সঙ্গেও শুরুটা ভালো হয়েছিল তার। নিজের প্রথম ওভারে দিয়েছিলেন মাত্র ৫ রান। পাশাপাশি নিয়েছিলেন শাহিবজাদা ফারহানের উইকেট। যদিও শেষের দুই ওভারে খরুচে ছিলেন তিনি। সবমিলিয়ে ৩৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। তবে সামিন মনে করেন, মুস্তাফিজের প্রথম ওভারের পর থেকেই চাপে পড়ে মুলতান।
ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে মুস্তাফিজকে উদ্দেশ্য করে লাহোরের টিম ডিরেক্টর বলেন, ‘ফিজ ভাই কোথায়? ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম ওভার বোলিং করাটা খুবই কঠিন ছিল। তুমি খুব সম্ভবত ৫ কিংবা ৬ রান দিয়েছিলে। তখন থেকেই ওদের উপর চাপ বাড়ে। সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ব্যাটাররা তোমাকে আক্রমণ করতে চাইবে কিন্তু বোলিং তুমি আমাদের আত্মবিশ্বাসের জায়গা। আমরা জানি ফিজ যদি থাকে আমরা সবসময় ম্যাচে থাকব।’
প্রথম দুই ম্যাচে ভালো করতে না পারলেও মুলতানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন পারভেজ হোসেন ইমন। হায়দরাবাদ ও করাচির সঙ্গে চারে খেললেও গত ম্যাচে সুযোগ মেলে ওপেনিংয়ে। মূলত ফখর জামান নিষিদ্ধ হওয়ায় মোহাম্মদ নাইমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয় ইমনকে। সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। ৫ ছক্কায় খেলেছেন ১৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। ফখরের অভাব পূরণ করায় ইমনকে নিয়ে খুশি সামিন।
লাহোরের টিম ডিরেক্টর বলেন, ‘ পারফরম্যান্সের কথা যদি বলি তাহলে ইমন কোথায় তুমি? ব্রিলিয়ান্ট (পারফরম্যান্স)। হোয়াট অ্যা স্টার ইউ আর। আমি জানি তুমি চার নম্বরে খেলো। আমি জানি তুমি (ওপেনিংয়েও) খেলতে পারো। আজকে রাতে সবাই দেখেছে তুমি কত ভালো মানের একজন ব্যাটার। আমার মনে হয় তুমি যে ইনিংসটা খেলেছে সেটা দুর্দান্ত।
‘ফখরের মতো একজন সিনিয়র প্লেয়ার না থাকার অভাব তুমি বুঝতেই দাওনি। তুমি দলের জন্য উজাড় করে দিয়েছো। বাংলায় যদি বলি তাহলে বলব, আমি তোমাকে ভালোবাসি।’