বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

বিপিএল
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে দুর্দান্ত এক জুটি গড়ার পাশাপাশি বিপিএলে ফাইনালে তানজিদ হাসান তামিম খেললেন ৭ ছক্কায় ৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংস। বাঁহাতি ওপেনারের ওমন ব্যাটিংয়েই চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ১৭৪ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। রান তাড়ায় শুরু থেকেই ছন্নছড়া চট্টগ্রাম রয়্যালস। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই নাইম শেখ ও মাহমুদুল হাসান জয়কে ফিরিয়ে বন্দর নগরীরের দলকে চেপে ধরেন বিনুরা ফার্নান্দো।

মাঝের সময়টায় বাঁহাতি স্পিনে জাদু দেখান হাসান মুরাদ। মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে নিয়েছেন তিন উইকেট। শেষের দিকে আরও একবার স্লোয়ারে চট্টগ্রামের ব্যাটারদের বোকা বানান বিনুরা। শ্রীলঙ্কার পেসার ও মুরাদের স্পিনে চট্টগ্রামকে ১১১ রানে গুঁড়িয়ে দেয় রাজশাহী। শেখ মেহেদীর দলকে ৬৩ রানে হারিয়ে বিপিএলে প্রথম শিরোপার দেখা পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন ওয়ারিয়র্স।

বিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পেয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। রানার্স আপ হওয়া চট্টগ্রাম পেয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ফাইনালে সেঞ্চুরি করে ফাইনাল সেরা হয়েছেন তানজিদ তামিম। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ৩৫৬ রান করেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। একটি হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে একটি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন। ফাইনাল সেরা হয়ে ৫ লাখ টাকা পেয়েছেন তানজিদ।

ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কার পেয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন। সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলা বাঁহাতি ব্যাটার ৩৯৫ রান করেছেন। বিপিএলের সেরা ব্যাটার হয়ে ৫ লাখ টাকা পেয়েছেন পারভেজ ইমন। পুরো বিপিএলে জুড়ে কিপিং না করলেও আউটফিল্ডে ১০টি ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস।

রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলা ডানহাতি ব্যাটার জিতেছেন সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার। পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা। রাজশাহী হয়ে সব ম্যাচ খেলার সুযোগ মেলেনি রিপন মণ্ডলের। ছিলেন না ফাইনালের একাদশেও। তবে ৮ ম্যাচ খেলেই ১৭ উইকেট নিয়ে বাজিমাত করেছেন ডানহাতি পেসার। বিপিএলের ইমার্জিং খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার পাশাপাশি পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা।

বল হাতে চট্টগ্রামে মেহেদীর বাজির ঘোড়া ছিলেন শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি পেসার ১২ ম্যাচে নিয়েছেন ২৬ উইকেট। বিপিএলে ইতিহাসে এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। পেছনে ফেলেছেন ২০২৫ বিপিএলে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১২ ম্যাচে ২৫ উইকেট নেয়া তাসকিনকে। এমন পারফরম্যান্সের টুর্নামেন্টের সেরা বোলার হয়েছেন তিনি। পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।

এ ছাড়া টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারও হয়েছেন শরিফুল। প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়ায় আরও ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। পাওয়ার প্লে কিংবা ডেথে বল হাতে বাজিমাত করার পুরস্কার ভালোভাবেই পেয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে শরিফুল বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ভালো লাগছে। তবে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আরও বেশি ভালো লাগতো।’

আরো পড়ুন: