বিদেশি ক্রিকেটারদের সংকটে আইপিএলের জৌলুশ কমবে না: ধুমাল

আইপিএল
আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল
আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
শনিবার থেকে আবার শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আসর। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাতের কারণে এক সপ্তাহ বন্ধ ছিল এই বিলিয়ন ডলার লিগ। আইপিএল মাঠে ফিরলেও অনেক বিদেশি ক্রিকেটারই আসছেন না ভারতে খেলতে। অনেকেই মনে করেন এর ফলে আইপিএলের জৌলুষ অনেকটাই কমে যাবে।

যদিও টাইমস অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপাকালে আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল জানিয়েছেন এর ফলে কোনো প্রভাব পড়বে না আইপিএলের ভাবমূর্তিতে। আইপিএল স্থগিত করার বিষয়টি স্পর্শকাতর ছিল স্বীকার করলেও নিরাপত্তার স্বার্থে এর বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান।

তিনি বলেছেন, ‘আইপিএল স্থগিত করার সিদ্ধান্তটা খুবই স্পর্শকাতর বিষয় ছিল। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টায় আমাদের নজর দিতে হত। তবে আইপিএল নিয়ে কোনও আশঙ্কার জায়গা ছিল না। আমরা লিগ স্থগিত করেছিলেন একটা সতর্কতা হিসেবে। কখনও কখনও দেশের মানুষের আবেগকেই প্রাধান্য দিতে হয়।'

তিনি আরও বলেন, 'তখন দেশের পাশে, দেশের সেনার পাশে সব সময় দাঁড়াতে হয়। আমরা সংঘর্ষবিরতির পরই আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং ব্রডকাস্টারসহ সকলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, যে এখনই লিগ শেষ করার সেরা সময়। কারণ পরের দিকে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক খেলাও শুরু হয়ে যাবে।’

আইপিএলের ফাইনাল হওয়ার কথা ২৬ মে। এরপরই শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে এক সপ্তাহের বিরতির কারণে আইপিএলের ফাইনাল পিছিয়ে গেছে ৩ জুন। এ কারণে অনেক বিদেশি ক্রিকেটারই আসতে পারছেন না। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা মাঠে নামছে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের। ক্রিকেটারদের জাতীয় দলের স্বার্থ বেছে নেয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান। তবে এতে করে আইপিএলের জৌলুশ বা মান কবে গেছে সেটা মানছেন না তিনি।

যুক্তি দিয়ে অরুণ বলেছেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি, ক্রিকেটারদেরও একটা আলাদা কমিটমেন্ট রয়েছে নিজের দেশের বোর্ডের সঙ্গে। আমরা যেহেতু এক সপ্তাহ পিছিয়ে গেছি, তাই এই সমস্যাটা হয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্রিকেটাররাই আবার আইপিএলে ফিরেছে, তাই আমি আশাবাদী লিগের জৌলুশ বা মান, কোনওটাই কমবে না। কোনও ক্রিকেটারের ওপরেই আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেইনি, বা জোর করে খেলতে বলিনি। কারণ আমাদের সঙ্গে ক্রিকেটার ও সব দেশের বোর্ডের বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কারণ ক্রিকেটারদের চাপ দিয়ে খেলাতে আনলেও, সেটায় খেলার মান বাড়বে না।’