আগে ব্যাটিং করতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই ৭৬ রান তোলে দলটি। ৩৮ বলে ৩৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্কয়ার ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান নাইম শেখ। তারপর ৪৯ রানের জুটি গড়েন এনামুল হক বিজয় এবং তাওহীদ হৃদয়।
৬৩ বলে ৭১ রান করে ফিরে যান বিজয়ও। শরিফুল ইসলামের বলে কাট করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দেন এই ওপেনার। এরপর ১৪০ রানের জুটি গড়েন হৃদয় এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব। ৭০ বলে ৭০ রান করা আফিফকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন শেখ মেহেদী।
নিজের করা পরের ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকেও একইভাবে ফেরান শেখ মেহেদী। ফেরার আগে ৯ বলে ৯ রান করেন সাইফউদ্দিন। ম্যাচের শেষ ওভারে গিয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিদায় নেন হৃদয়।
১০৬ বলে ১০১ রানের ইনিংস আসে মোহামেডানের অধিনায়কের ব্যাটে। হাসান মাহমুদের বলে লফটেড শট খেলতে গিয়ে লং-অফে ধরা পড়েন হৃদয়। ততক্ষণে ইয়াসির আলী রাব্বির ক্যামিওতে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছায় দলটি। শেষপর্যন্ত ১৪ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন রাব্বি। মোহামেডান থামে পাঁচ উইকেটে ৩৩৯ রানে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৪ ওভারে ২৩২ রান করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। শুরুতেই আশিকুর রহমান শিবলিকে (৫) বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। হাবিবুর রহমান সোহান অবশ্য আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন। তাইবুর রহমানের এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে বলে তিনি ফিরে যান ২৭ বলে ৫৯ রান করে।
ধীরে ধীরে উইকেট হারানো দলটি ১৪২ রান তুলতেই সাত উইকেট হারায় শেষদিকে শেখ মেহেদীর ৫০ বলে ৩৭ এবং নাসুম আহমেদের ৪০ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে আড়াইশ'র কাছাকাছি যায় রূপগঞ্জ। ৭১ রান খরচায় চার উইকেট নেন নাহিদ রানা। ৩৩ রান খরচায় তিন উইকেট নেন তাইবুর।