২০১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পায় গুলশান। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৭ রান তোলেন তন্ময় ও ফারহান আহমেদ আলিফ। ৩২ বলে ২৫ রান করা আলিফকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন শামীম মিয়া। অন্যপ্তান্তে দারুণ ব্যাট করতে থাকা তন্ময় তুলে নেন লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। তিন ছক্কা ও সাত চারে ক্যারিয়ারসেরা ৬৭ রান করে আলিসের বলে বোল্ড হন এই ব্যাটার।
তন্ময় আউট হবার পর আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি গুলশানের হয়ে। আগের ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে দলকে জেতানো আলিস এই ম্যাচেও একে একে তুলে নেন শাহরিয়ার সাকিব ও গুলশান অধিনায়ক ফরহাদ রেজার উইকেট। আট ওভারে ৩৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন এই স্পিনার। পাশাপাশি শামীম মিয়াও ৩০ রানে তিন উইকেট নিলে ২৫ রানে শেষ ছয় উইকেট হারায় গুলশান। ৩৬ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৬৮ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে আলিস ও শামীমের তিনটি করে উইকেটের পাশাপাশি পেসার এনামুল হক দুইটি ও আবু হায়দার রনি একটি উইকেট নেন।
এর আগে ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) মাঠে ৩৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টস জিতে প্রাইম ব্যাংককে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় গুলশান। উদ্বোধনী জুটিতে ৯০ রান তুলে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন দিপু ও আজিজুল হাকিম তামিম। তামিমকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন স্পিনার তানভীর। ৪৩ বলে ৩১ রান করে শর্ট ফাইন লেগ অঞ্চলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এই ওপেনার।
অন্যপ্রান্তে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে নিজের সপ্তম লিস্ট 'এ' হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন দিপু। দুই ছক্কা ও আট চারে ৬৬ বলে ৭৫ রান করে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে তানভীরে দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। এরপর আরিফুলকেও ব্যাক্তিগত পাঁচ রানে ফিরিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন তানভীর। এরপর শামীম ও আকবর আলী ৩৭ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১৫৮ রানে বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ১১ রানে নাইম হোসেন সাকিবের বলে আউট হন আকবর।
অন্যদিকে আগের ম্যাচের ফর্ম এই ম্যাচেও ধরে রাখেন শামীম। ৩৭ বলে দুই ছক্কা ও দুই চারে ৩৮ রান করে মিডিয়াম পেসার জুবায়ের হোসেনের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ভালো শুরু পেলেও ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে উইকেট হারাতে থাকে প্রাইম ব্যাংক। ১৮ রান তুলতেই পাঁচ উইকেট হারায় তারা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৩৬ ওভারে ৯ উইকেটে ২০০ রানে থামে আকবরের দল। গুলশানের হয়ে তানভীর তিনটি, নাইম ও জুবায়ের দুইটি করে এবং আবদুর রহিম একটি উইকেট নেন।