১ রানের জন্য ইনিংস হার এড়াতে ব্যর্থ বরিশাল, আশা জাগিয়েও ড্রতে সন্তুষ্ট রংপুর

এনসিএল
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ইনিংস হারের শংকা নিয়েই শেষ দিনের খেলা শুরু করেছিল বরিশাল। কিন্তু ভালো শুরু পেয়েও হাসান মুরাদ ও মোহাম্মদ রুবেলের স্পিনে ব্যাটিং ধসের মুখোমুখি হয় তারা। বরিশালকে ২৯৩ রানে অলআউট করে ইনিংস জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম। আরেক ম্যাচে ময়মনসিংহকে ৩৭৩ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে দ্রুত ৩ উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর। কিন্তু আব্দুল মজিদ ও আল আমিন জুনিয়রের ব্যাটে ম্যাচ বাঁচায় ময়মনসিংহ।

ইনিংস ও ১ রানের জয় পেল চট্টগ্রাম

৪ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে শেষ দিনে ইনিংস হারের শংকা নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে বরিশাল। রাফসান আল মাহমুদ ও মইনুল ইসলামের ব্যাটে ভালো শুরু পায় তারা। ষষ্ঠ উইকেটে ৮০ রানের জুটি গড়ে ইনিংস হার এড়ানোর পথেই ছিল তারা। হাতে ৬ উইকেট নিয়ে তখন তারা চট্টগ্রামের চেয়ে পিছিয়ে ৫৫ রানে। কিন্তু এরপরেই নামে ধস। ৭২ রান করা রাফসানকে ফিরিয়ে সেই ধসের সূচনা করেন এনামুল হক আশিক।

এরপর দ্রুতগতিতে উইকেট হারাতে থাকে বরিশাল। দুই স্পিনার হাসান মুরাদ ও মোহাম্মদ রুবেলের বোলিং তোপে ৫৪ রানেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বরিশাল। চট্টগ্রামের হয়ে আশরাফুল হাসান ৫ উইকেট শিকার করেন। এছাড়াও মুরাদ ও রুবেল দুইটি করে উইকেট নেন। বরিশালকে ২৯৩ রানে অলআউট করে ইনিংস ও ১ রানে জয় পায় চট্টগ্রাম।

এর আগে প্রথম ইনিংস ব্যাট করতে নেমে মইন খানের ৯৭ ও জাওয়াদ আবরারের ৬৩ রানে ২৮২ রানের সংগ্রহ পায় বরিশাল। জবাব দিতে নেমে সাদিকুর রহমান ও মাহমুদুল হাসান জয়ের সেঞ্চুরিতে ৫৭৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে চট্টগ্রাম। প্রথম ইনিংসে ২৯৪ রানের লিড পায় তারা। প্রথম ইনিংসে ১৪৯ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন সাদিকুর।

জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও ড্রতেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো রংপুরকে

আরেক ম্যাচে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে রংপুর। সেই রানের সাথে আর ৫০ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করেন রংপুর অধিনায়ক আকবর আলী। ময়মনসিংহের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭৩ রানের। এই ম্যাচ জিততে অনেকটা অসম্ভবকে সম্ভব করতে হতো। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহফিজুল ইসলাম রবিনের ব্যাটে বেশ ভালো সূচনা পায় ময়মনসিংহ। মাহফিজুল তুলে নেন ফিফটি।

কিন্তু ১২ রান করা আরেক ওপেনার খালিদ হাসান ফিরে যাবার পর স্বল্প বিরতিতে আরো দুই উইকেট হারায় ময়মনসিংহ। ১০৮ বলে ৬৮ রান করে শাহরিয়া আল আমিনের বলে আউট হন মাহফিজুল। ৯৪ রানে ৩ উইকেট হারায় ময়মনসিংহ। তখন জয়ের সুবাস পাওয়া শুরু করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর। কিন্তু আব্দুল মজিদ ও আল আমিন জুনিয়রের ৯৩ রানের জুটিতে রংপুরকে জয় বঞ্চিত করে ময়মনসিংহ। তারা ৪ উইকেটে ১৮৯ রানে থাকার সময় দুই দলের অধিনায়কের সম্মতিতে ম্যাচ ড্র ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।

এর আগে প্রথম ইনিংসে মিম মোসাদ্দেকের ১৫৭ রানের ইনিংসে ৪২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে খালিদ হাসানের ফিফটির পর ২৯৫ রানে অলআউট হয়েছিল ময়মনসিংহ। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিতে ম্যাচসেরা হয়েছেন মিম।

আরো পড়ুন: