মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের কাছে এই হার ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের প্রথম টেস্ট জয়। সবমিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় টেস্ট জয়। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড ও নাথান লায়নের মতো অভিজ্ঞদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষেই এই জয় পায় বাংলাদেশ।
ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের চাপে রাখেন হাসান মাহমুদ। তার গতি ও সুইং সামলাতে বেশ ভুগতে হয়েছে স্বাগতিক ব্যাটারদের। পরে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ম্যাচে শক্ত অবস্থান তৈরি করে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। মেহেদী হাসান মিরাজ একাই তুলে নেন পাঁচ উইকেট। ফলে বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান। সেই রান সহজেই পেরিয়ে ৯ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় টেস্টে নিজের পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে সিমন্স বলেন, 'টেস্ট ক্রিকেট পাঁচ দিনের খেলা, আর এই পাঁচ দিনের মধ্যে আমার দল যদি ১১ ঘণ্টা ব্যাট করতে পারে, তবে প্রতিপক্ষ দল নিশ্চিতভাবেই চাপে পড়বে। তো, টেস্ট ক্রিকেট খেলাটা আমি এভাবেই শিখেছি।'
'আপনি ব্যাট করবেন, বড় স্কোর গড়বেন, প্রথম ইনিংসে বড় রান তোলা সবসময়ই ভালো, এবং এরপর প্রতিপক্ষকে চাপের মুখে ফেলবেন। আমরাও সেটাই করার চেষ্টা করছি। আমরা চেষ্টা করছি ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলতে এবং এটা নিশ্চিত করতে যেন আমাদের স্কোরে পৌঁছাতে প্রতিপক্ষকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়।'