২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতা দেশ ছেড়ে আত্মগোপনে আছেন। দুই বছর পর গতকাল ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে ছিলেন দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও নীতিনির্ধারক। সেই আলোচনায় ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন সাকিবও।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্যও হয়েছিলেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের হয়ে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চললেও শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তার ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। শুক্রবার ক্রিকবাজকে তিনি বলেছেন, সাকিবের দেশে ফিরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার কোনো সুযোগ তিনি দেখছেন না। আমিনুল বলেন, ‘তার দেশে ফিরে খেলার কোনো সুযোগ নেই।’
সাকিবের রাজনৈতিক পরিচয় বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একজন ক্রিকেটার হিসেবে যে অবস্থানে তিনি ছিলেন, সেখান থেকে সরে গিয়ে যখন রাজনৈতিক পরিচয় বেছে নিয়েছেন, তখন আমার মনে হয় না তার দেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ আছে। দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।’
এত দিন সাকিবের বিষয়টি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করে সবাই ধৈর্য ধরেছেন বলেও মন্তব্য করেন আমিনুল। তার ভাষায়, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি এবং অন্য সবাই তাঁর বিষয়টি নিয়ে অনেক সহনশীল ছিলাম। কিন্তু এখন তাঁর ফেরার জন্য কোনো ব্যবস্থা করার সুযোগ আছে বলে মনে করি না। তিনি স্বৈরাচারদের মঞ্চে উঠে তাঁদের সঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। তাই তাঁর দেশে ফিরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার কোনো সুযোগ নেই।’