দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ১৯ রান করে বাংলাদেশ। শুরুতেই ৬ রান করে ফেরেন সাদমান ইসলাম। দিনের শেষদিকে ফিরেছেন মুমিনুল হকও। তিনিও ৬ রান করে আউট হয়েছেন। যদিও তানজিদ হাসান ৭ রান করে অপরাজিত আছেন। অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে দুটি উইকেটই নিয়েছেন ক্যাম্পবেল থম্পসন।
এর আগে প্রথম দিন শেষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিন শেষে ১২ ওভারে ২ উইকেটে ৫১ রান তুলেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। বাংলাদেশ থেকে ২১২ রানে পিছিয়ে দিন শেষ করেছিল স্বাগতিক দলের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় দিনে অবশ্য বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে অস্ট্রেলিয়া একাদশ। দিনের শুরুতেই জোড়া আঘাত হানে বাংলাদেশ। ৩৮ বলে ২৪ রান করা জশ ফিলিপকে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ।
এরপর চতুর্থ উইকেটে জ্যাক ক্লেটনের সঙ্গে ৭৩ রানের জুটি গড়েন কার্টিস পেটারসন। সেই জুটি ভাঙেন ইবাদত হোসেন। ৫৮ বলে ৪৮ রান করা ক্লেটনকে ফিরিয়ে দেন এই পেসার। এরপর আবারও আঘাত হানেন হাসান মাহমুদ। তার তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া পেটারসন। তবে এরপর আর কোনো উইকেট তুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। টিগ উইলি ও জ্যাক ডোরানের জুটি বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ব্যাট করতে থাকে অস্ট্রেলিয়া।
চা বিরতির সময় টিগের রান ১২৪ বলে ৯৮। আর ডোরান ৯৭ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। অবশ্য বিরতির পর অস্ট্রেলিয়া একাদশকে রান বাড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। দিনের শেষ সেশনের শুরুতেই জোড়া উইকেট তুলে নেন মিরাজ। তিনি ১০২ বলে ৭৬ রান করা ডোরানকে আউট করেন। এরপর তিনি শূন্য রানে ফিরিয়েছেন জেরসিস ওয়াদিয়াকে। হাননো জ্যাকবসকে থিতু হতে দেননি পেসার তাসকিন আহমেদ।
তিনি এই অজি ব্যাটারকে বোল্ড করে আউট করেন। কোরি রকিকিওলি ৫ রান করে আউট হন হাসান মাহমুদের বলে নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দিয়ে। একপ্রান্তে ব্যাটারদের আসা যাওয়া থাকলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন উইলি। তিনি ১৭৭ বলে ১৩০ রানের ইনিংস খেলেন। তাতে ভর করেই অজিরা ৩৫৫ রানে অল আউট হয়। ফলে ৯২ রানের লিড নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া একাদশ।