মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস বিশ্বকাপ অভিষেকেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে পথ দেখান। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন দিলারা আক্তার। যদিও ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পরই আউট হয়ে যান জুয়াইরিয়া। এরপর শূন্য রানে আউট হয়ে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। দুজনকেই আউট করে ক্যারোলিন ডি লাং। ফলে ভালো শুরুর পরও বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
সোবহানা মোস্তারি ৪ রান করে রান আউট হন। আর দিলারা ২৩ বলে ২৬ রান করে ফেরেন। এরপর বাংলাদেশের আর কোনো বিপদ হতে দেননি শারমিন আক্তার সুপ্তা ও স্বর্ণা আক্তার। দুজনে মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন। শারমিন ৩২ বলে ৩৭ ও স্বর্ণা ১৮ রান করে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন।
এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নেদারল্যান্ডস। পাওয়ার প্লেতেই তারা হারায় দুই উইকেট। ফারিহা তৃষ্ণা ফিরিয়ে দেন হিদার সিগার্সকে, আর মারুফা আক্তারের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে সাজঘরে ফেরেন ফিবি মলকেনবোয়ার। প্রথম ছয় ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৪০ রান।
মাঝের ওভারগুলোতে বাংলাদেশের স্পিনাররা আরও চেপে ধরেন। ইনিংসের দশম ওভারের প্রথম বলেই রাবেয়া খানের গুগলিতে বোল্ড হন স্টেরে কেলিস। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলেও এক প্রান্তে দৃঢ় ছিলেন ডি লিড। তার বিচক্ষণ ব্যাটিংয়ে ১৫ ওভার শেষে নেদারল্যান্ডসের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৯৯ রান।
শেষ পাঁচ ওভারে ডি লিড কিছু আক্রমণাত্মক শট খেলেন। তবে বাংলাদেশের বোলাররা শেষ পর্যন্ত বড় জুটি গড়ার সুযোগ দেননি। ডি লিডের লড়াকু অর্ধশতক নেদারল্যান্ডসকে ১৩৯ রানের সংগ্রহ এনে দিলেও পুরো ইনিংসজুড়েই আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের বোলারদের। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মারুফা আক্তার। এই পেসার ২টি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া ফারিহা তৃষ্ণা, রাবেয়া খানসহ বাকি সব বোলার একটি করে উইকেট তুলে নেন।