আইপিএল শেষেই বিশ্রামের সুযোগ পেয়েছেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, ট্রাভিস হেডের মতো ক্রিকেটাররা। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না মিচেল মার্শ। ওয়ানডে দলের অর্ধেক তারকা ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে অজিরা। তবে সফরকারীদের একেবারে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ম্যাথু শর্ট, জশ ইংলিস, জাভিয়ের বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, নাথান এলিসের মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে।
কুপার কনোলির মতো তরুণ তারকাও আছেন অস্ট্রেলিয়া। সবশেষ আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন তিনি। ম্যাট রেনশ, ল্যাবুশেনের মতো ক্রিকেটাররাও আছেন বাংলাদেশ সফরে। এমন একটা দল নিয়েও বাংলাদেশের বিপক্ষে হেরে যাওয়ায় হতাশ ল্যাবুশেন। ডানহাতি এই ব্যাটার জানান, সিরিজটা তাদের জন্য একেবারেই আদর্শ ছিল না।
ল্যাবুশেন বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা যদি একটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে এটা মোটেও আমাদের জন্য আদর্শ কিংবা মনের মতো সিরিজ নয়। প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচই আমাদের জন্য একটা করে সুযোগ, যা আগামী প্রজন্মের জন্য একটা ভিত্তি তৈরি করছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপের জন্য একটা ভিত্তিপ্রস্তর তৈরি করা। এজন্য প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ এবং নিশ্চিত করব যেন আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে লড়াই করতে পারি এবং ২-১ ব্যবধানে সিরিজটা শেষ করতে পারি।’
২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের কার্ডিফে বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল রিকি পন্টিং, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, গ্লেন ম্যাকগ্রাদের অস্ট্রেলিয়া। সবশেষ ২১ বছরে আর কোনো ওয়ানডে ম্যাচ হারেনি তারা। দুই যুগের বেশি সময় পর এসে মিরপুরে হারতে হয়েছে অজিদের। পরের ম্যাচে হেরে সিরিজও খোয়াতে হয়েছে। তবে শেষটা ভালো করতে চায় সফরকারীরা। যদিও তাতে কষ্ট কমবে না তাদের।
ল্যাবুশেন বলেন, ‘অবশ্যই, প্রতিটি ম্যাচ হারই হতাশাজনক। আপনি সবসময় জেতার জন্যই মাঠে নামবেন। সেজন্যই আমরা মাঠে যাই, ঘরবাড়ি ছেড়ে এতদূরে সময় কাটাই যেন মাঠে এসে নিজেদের পছন্দের খেলাটা খেলতে পারি। আগামীকাল আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই এবং সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে শেষ করতে চাই। দিন শেষে আপনি ৩-০ ব্যবধানে হারুন কিংবা ২-১ ব্যবধানে হারুন— সিরিজ তো হেরে গেলাম। এটাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়। তবে হ্যাঁ, এটা নিশ্চিত করব আগামীকাল মাঠে নামার জন্য আমরা যেন পুরোপুরি প্রস্তুত থাকি।’