১৮ চার ও ৫ ছক্কায় ইরফান শুক্কুরের ১২৭, রূপগঞ্জের বড় জয়

ডিপিএল
বিসিবি
বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
হাবিবুর রহমান সোহানের সঙ্গে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারলেন না মাহমুদুল হাসান জয়। থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেন না আশিকুর রহমান শিবলী। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখার পাশাপাশি ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন ইরফান শুক্কুর। ১৮ চার ও ৫ ছক্কায় ১৬৯.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ৭৫ বলে খেললেন ১২৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। শুক্কুরের এমন ইনিংসে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ডিপিএলের চলতি আসরে রূপগঞ্জের এটি পঞ্চম জয়।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি রূপগঞ্জের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফেরেন সোহান। মোহাম্মদ রুবেলের বলে স্লগ সুইপ করে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন ডানহাতি এই ওপেনার। তবে টাইমিংয়ে গড়বড় হওয়ায় রহিম আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরতে হয় সোহানকে। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি জয়ও। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে তাকে ফেরান সোহেল রানা।

বাঁহাতি পেসারের বলে ফ্লিক করতে গিয়ে শর্ট স্কয়ার লেগে প্রিতম কুমারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। টেস্ট সিরিজ শেষে রূপগঞ্জের সঙ্গে যোগ দেওয়া জয় আউট হয়েছেন ১৫ বলে ১৩ রান করে। চারে নেমে দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন শুক্কুর। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন আশিকুর। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। রহিমের বলে আউট হয়েছেন সোহেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ৪০ বলে ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি আশিকুর।

পাঁচে নামা আইচ মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে রূপগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন শুক্কুর। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৪৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন বাঁহাতি এই উইকেটকিপার ব্যাটার। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর তাণ্ডব চালাতে থাকেন তিনি। পরের পঞ্চাশ করতে ২৫ বল খেলেছেন শুক্কুর। ৬৮ বলে সেঞ্চুরি করা ব্যাটার রিটায়ার্ট হার্ট হয়েছেন ৭৫ বলে ১২৭ রানের ইনিংস খেলে। তবে আইচ ৩০ ও শেখ মেহেদী ১২ রান করে রূপগঞ্জের জয় নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ব্যাটিং করে ২১০ রানে অল আউট হয় গাজী ক্রিকেটার্স। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ রানের ইনিংস খেলেছেন সাব্বির হোসেন। এ ছাড়া রহিম ৩১, প্রিতম ৩১ রান করেছেন। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মুনিম শাহরিয়ার। এক চারে ৩ বলে ৪ রানে আউট হয়েছেন ডানহাতি এই ওপেনার। রূপগঞ্জের হয়ে তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন আব্দুল হালিম ও সালাহউদ্দিন সাকিল। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মেহেদী ও নাসুম।

আরো পড়ুন: