২০২৫ সালের মে মাস থেকে খেলা সব ম্যাচকে পূর্ণ ১০০ শতাংশ গুরুত্ব দিয়ে এবং তার আগের দুই বছরের ফলাফলকে ৫০ শতাংশ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে এই হালনাগাদ করা হয়েছে। পুরুষদের টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দুইয়ে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অস্ট্রেলিয়া ১৩১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরেই রয়েছে এবং তিন পয়েন্ট বেড়ে তাদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। দুইয়ে সাউথ আফ্রিকা
ভারত এক ধাপ এগিয়ে ১০৪ রেটিং নিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠেছে। এক ধাপ পিছিয়ে চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে ইংল্যান্ড, তাদের রেটিং ১০২। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিলের আগের ম্যাচগুলোর গুরুত্ব বাদ পড়ায় ইংল্যান্ড এই ধাক্কা খেয়েছে। এর মধ্যে ছিল নিউজিল্যান্ড ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের মাঠে সিরিজ জয় এবং পাকিস্তানে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের স্মৃতি ছিল ইংল্যান্ডের। সেই সিরিজগুলোর ফলাফল আর বিবেচনা করা হচ্ছে না।
পাকিস্তানও এই হালনাগাদে লাভবান হয়েছে। ৮৯ রেটিং নিয়ে তারা শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে, শ্রীলঙ্কার রেটিং ৮৬। ইংল্যান্ডের কাছে ঘরের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে হারের সিরিজটি হিসাবের বাইরে চলে যাওয়ায় এবং ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কাছে ২-০ ব্যবধানে হারের গুরুত্ব অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের অবস্থান উন্নত হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ে যথাক্রমে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ৭, ৮, ৯, ১০ নম্বর দল। আগের মতো ৯ নম্বরে থাকলেও বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে। ৪ পয়েন্ট বেড়ে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট এখন ৬৭। প্রয়োজনীয় আটটি ম্যাচ না খেলায় র্যাঙ্কিং থেকে ছিটকে গেছে আয়ারল্যান্ড। আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে আগামী এক বছরে অন্তত দুটি করে টেস্ট খেলতে হবে র্যাঙ্কিংয়ে ফিরতে।
এদিকে নারীদের ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য অব্যাহত রয়েছে। দুই পয়েন্ট কমে তাদের রেটিং এখন ১৬৩ হলেও শীর্ষস্থান অটুট। দুই পয়েন্ট বেড়ে ইংল্যান্ডের রেটিং হয়েছে ১২৮, তবুও ব্যবধান অনেক। শীর্ষ ছয়ে কোনো পরিবর্তন নেই। ভারত ১২৬ রেটিং নিয়ে তৃতীয়, সাউথ আফ্রিকা ১০০ নিয়ে চতুর্থ, নিউজিল্যান্ড ৯৩ নিয়ে পঞ্চম এবং শ্রীলঙ্কা ৮৯ নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।
সপ্তম স্থান উঠে আসা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের প্রতিফলন। অন্যদিকে প্রয়োজনীয় ম্যাচ না খেলায় আপাতত র্যাঙ্কিংয়ের বাইরে চলে গেছে থাইল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। থাইল্যান্ডকে আরও একটি এবং নেদারল্যান্ডসকে দুটি ওয়ানডে খেলতে হবে তালিকায় ফিরতে। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত র্যাঙ্কিং হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে আইসিসির। ৫ মে ঘোষণা করা হবে পুরুষ ও নারী টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং এবং ৭ মে প্রকাশ পাবে পুরুষদের ওয়ানডে দলীয় র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদ।