এক সময় নিউজিল্যান্ডের মনে হচ্ছিল ২০০ রান নিয়েই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব। তবে তানজিদ-শান্তদের পাল্টা আক্রমণে তাদের সেই ধারণা ভেঙে যেতেও সময় লাগেনি। এরপর তাদের মনে হয় রান আরও অন্তত ৫০ রান বেশি হওয়া উচিত ছিল। তাই আক্ষেপ লুকাতে পারেননি কেলি।
তিনি বলেন, 'ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবসময়ই মনে হয় স্কোরটা ডিফেন্ড করা সম্ভব। আমাদের মধ্যে ওই বিশ্বাসটা ছিল যে ২০০ রান নিয়েই আমরা লড়াই করতে পারব। তবে পেছন ফিরে তাকালে মনে হয় আমাদের স্কোরটা ২৪০-২৫০ হওয়া উচিত ছিল। তবে বাংলাদেশের ব্যাটাররা দারুণ ইন্টেন্ট নিয়ে খেলেছে এবং শুরু থেকেই আমাদের উপর চাপ তৈরি করে অল্প রানের ম্যাচটা সহজ করে নিয়েছে।'
মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে কিউইদের বিপক্ষে দুই ওয়ানডেতে ভিন্ন দুটি উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। দুটি উইকেটের আচরণ ছিল ভিন্ন ভিন্ন। তাই তাদের মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়েছে বলে দাবি কেলির। পাশাপাশি চট্টগ্রামে গিয়ে কন্ডিশনের সঙ্গে আগে ভাগেই মানিতে চান তার তারা।
এ প্রসঙ্গে কেলি বলেন, 'আমরা এখানে ভিন্ন ধরনের দুইটা উইকেট দেখলাম। ব্যক্তিগতভাবে আমি আগে কখনো চট্টগ্রামে খেলিনি। আমাদের দলে যারা অভিজ্ঞ আছে তাদের সঙ্গে কথা বলে কন্ডিশন বোঝার চেষ্টা করব। আজকের ম্যাচে আমরা পুরোপুরি আউটপ্লেইড হয়েছি, এটা আমাদের মানতেই হবে। এখন আমাদের হাতে কয়েকটা দিন সময় আছে, বিশ্রাম নিয়ে পরের ম্যাচের জন্য সেরা প্রস্তুতি নিব।'
শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কেলি বলেন, 'অবশ্যই, মাত্র কয়েক দিন আগের কথা আমরা দুর্দান্ত খেলে প্রথম ম্যাচ জিতেছিলাম। আমরা শিক্ষাটা নিব। কাগজে-কলমে এটা খুবই বাজে হার। শেষের দিকে আমরা যদি আর ৪০ কিংবা ৫০ রান বেশি করতাম তাহলে চেজটা কঠিন হতো। আমরা এই হার থেকে শিক্ষা নিব এবং সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মুখিয়ে আছি।'