‘যুদ্ধে নেমে গুলি খাওয়ার ভয় করলে চলবে না’, ইনজুরি নিয়ে নাহিদ

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
৫ উইকেট নেয়ার পর নাহিদ রানা, ক্রিকফ্রেঞ্জি
৫ উইকেট নেয়ার পর নাহিদ রানা, ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নাহিদ রানা প্রথম যে ডেলিভারিটির করেছিলেন তার গতি ছিল ১৪৪.৭ কিলোমিটার। আর ম্যাচে তার শেষ বলটির গতি ১৪৫.৪ কিলোমিটার। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই গতি ধরে রাখার ব্যাপারটি নিশ্চিতভাবেই যেকোনো পেসারের জন্য বড় অধ্যাবসায়ের ব্যাপার। নাহিদ এই জায়গায় বেশ সফল।

কিউইদের বিপক্ষে এই ম্যাচে ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। এ নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছেন এই পেসার। বর্তমান সময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই পেসার। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলেই গিয়েছিলেন পিএসএলে।

সেখানেও গতির ঝড় তুলেছেন তিনি। কিউইদের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে খেললেন। অল্প সময়ের মধ্যে এতো বেশি ম্যাচে খেলার ধকল কীভাবে সামলাচ্ছেন নাহিদ দ্বিতীয় ওয়ানডে শেষে তিনি নিজেই খোলাসা করলেন ব্যাপারটি। জানিয়েছেন ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। বিশেষ করে ট্রেনাররা তাকে সহায়তা করছেন।

নাহিদ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, 'আল্লাহ আমাকে সুস্থ রেখেছেন। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে যে, আমি আমার ফিটনেস নিয়ে যে কাজগুলো করি, সেগুলো আমি আমার অনুশীলনের বাইরে কিংবা যখন অনুশীলন চলে তখন ফিটনেস ট্রেনারের সাথে কাজ করি এবং তাদের সাথে কথা বলি যে কীভাবে নিজের ফিটনেস বাড়ানো যায় বা আরও উন্নত করা যায়। যাতে খেলার সময় আমি মাঠের মধ্যে অনুভব করি যে আমি বল করছি কিন্তু কখনো ক্লান্ত হচ্ছি না।'

ক্রিকেটারদের বিশেষ করে পেসারদের বড় শত্রু ধরা হয় ইনজুরিকে। ইনজুরির কারণে ক্যারিয়ার বিকশিত না হওয়ার উদাহরণ আছে অহরহ। বিশেষ করে বাংলাদেশে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তালহা জুবায়েরের ক্যারিয়ারের প্রাইম টাইম কেড়ে নিয়েছে ইনজুরি। নাহিদ এই ব্যাপারে কতটা সচেতন এই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল সংবাদ সম্মেলনে।

নাহিদ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন, 'ইনজুরি কখনো বলে আসে না। আর আপনি যদি যুদ্ধে নামেন তবে গুলি খাওয়ার ভয় করলে চলবে না। তেমনই ক্রিকেট খেললে চোট আসবে বা চোটে পড়বেন এটা স্বাভাবিক।'

আরেক প্রশ্নের উত্তরে নাহিদ বলেন, 'আপনি যদি ক্রিকেট খেলেন ইনজুরি আসবে। ইনজুরি পড়বেন এটা স্বাভাবিক। এটা মেইনটেইনের বিষয়, এই জিনিসটা অবশ্যই ফিজিও আছে, বিসিবিতে যারা ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট আছে—ফিজিও বলেন ট্রেইনার বলেন—তারা অবশ্যই দেখে এবং কোন ম্যাচটা কোন সিরিজে কয়টা ম্যাচ খেলবো তারা আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নেয়া থাকে।'

আরো পড়ুন: