নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের একাংশ ব্যস্ত ছিলেন শ্রীলঙ্কা 'এ' দলের বিপক্ষে সিরিজে। সেখান থেকেই অনেকেই এসেছেন বাংলাদেশে। বাকিরা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।
নিয়মিত ক্রিকেটাররা না থাকায় মোহাম্মদ আব্বাস, আদিত্য অশোক, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক এবং বেন সিয়ার্সের মতো তুলনামূলক কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ক্রিকেটাররা সুযোগ পেয়েছেন কিউই স্কোয়াডে।
দ্বিতীয়বার নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক ও জেইডেন লেনক্স। পাশাপাশি তিন পেসার ম্যাট ফিশার, উইল ও’রুর্ক ও ব্লেয়ার টিকনারও বাংলাদেশ সফরে কিউইদের চমক। এই তারুণ্য নির্ভর দলকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখছেন না মিরাজ।
সিরিজ শুরুর আগের দিন মিরাজ বলেন, 'নিউজিল্যান্ডকে ছোট করে দেখার কোনো কিছুই নেই। পেশাদার প্লেয়ার হিসেবে আমাদের প্রত্যেকটা ম্যাচই আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করব অবশ্যই যেহেতু ওরা এসেছে আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করব আমাদের ফলাফল আনার জন্য।'
'আমরা যদি সিরিজ জিততে পারি এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা অর্জন হবে। যেহেতু আমাদের র্যাঙ্কিংয়ের একটা বিষয় আছে আর আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজটা।'
র্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে ৯ নম্বরে আছে বাংলাদেশ। এই পজিশন অক্ষত রাখলেই সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে বাংলাদেশ। যদিও র্যাঙ্কিংয়ে সম্মানজনক অবস্থান নিয়েই বিশ্বকাপে যেতে চান মিরাজ। মূলত দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোতে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারতে চান তিনি।
মিরাজ আরো বলেন, 'আপনি যেটা বললেন খুবই ভালো একটা কথা বলেছেন যে আমরা যদি নড়বড়ে অবস্থায় যদি বিশ্বকাপে যাই তাহলে আমাদের পজিশনটা কীভাবে থাকবে। আমরা এই সিরিজগুলোতে যদি আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারি তাহলে আমাদের বিশ্বকাপে একটা ভালো প্রস্তুতি হবে।'
'বিগত দিনে এর আগে অনেকবার এরকম হয়েছে। ২৩-এর বিশ্বকাপের আগে কিন্তু আমরা অনেক ম্যাচ জিতেছিলাম, আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। কিন্তু বিশ্বকাপে যেয়ে আমরা ভালো করতে পারিনি। তাই আমার কাছে মনে হয় আত্মবিশ্বাসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।'