সেমি ফাইনাল থেকে বাংলাদেশের বিদায়, পাত্তাই দিল না পাকিস্তান

যুব এশিয়া কাপ
পিসিবি
পিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের সেমি ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ব্যাটে বলে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশের যুবারা। বৃষ্টি বিঘ্নিত এই ম্যাচে নির্ধারিত ২৭ ওভারে ১২১ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। জবাবে খেলতে নেমে ১৭ ওভারের মধ্যেই ৮ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাকিস্তান।

ছোটো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ভালো ছিল না। শুরুতেই তারা হারায় ওপেনার হামজা জোহরের উইকেট। তিনি রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়ে যান ইকবাল হোসেন ইমনের বলে ফরিদ হাসান ফয়সালের হাতে ক্যাচ দিয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রান যোগ করেন সামির মিনহাস ও উসমান খান জুনিয়র। এই জুটি ভেঙেছেন সামিউন বশির রাতুল। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন উসমান।

এরপর দলকে আর উইকেট হারাতে দেননি মিনহাস ও আহমেদ হুসাইন। তারা অবিচ্ছিন্ন রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে জিতিয়ে ফেরেন। মিনহাস ৫৭ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১১ রান করে তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন হুসাইন। যুব এশিয়া কাপের টানা দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তাদের লক্ষ্য ছিল হ্যাটট্রিক শিরোপা। তবে সেমি ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের দলকে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দেখেশুনে ব্যাটিং করছিলেন জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে রিফাতকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন আলী রাজা। ডানহাতি পেসারের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দিয়েছেন ১৪ রান করা রিফাত। পরের ওভারে আউট হয়েছেন জাওয়াদ। পেসার মোহাম্মদ সায়েমের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন ছন্দে থাকা এই ওপেনার। ১৩ বলে ৯ রান দিয়েছেন জাওয়াদ।

জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করে আজিজুল হাকিম তামিম ও কালাম সিদ্দিকী অ্যালিন। যদিও তাদের জুটি খুব বেশি বড় হতে দেননি আব্দুল সুবহান। ২৬ বলে ২০ রান করে আউট হয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে ৮ রান করে আউট হয়েছেন অ্যালিনও। এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে আবারও বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে অবশ্য আর বের হতে পারেনি টাইগার যুবারা।

একাদশে সুযোগ পেলেও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। ৯ বলে ৫ রান করেছেন তিনি। উইকেটকিপার ব্যাটার ফরিদ হাসান ফয়সাল করেছেন ৭ রান। শেষের দিকে সামিউন বশির রাতুলের ৩৭ বলে ৩৩ রানের ইনিংসে ১২১ রানের পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। পাকিস্তানের হয়ে একাই ৪ উইকেট নিয়েছেন সুবহান। দুইটি উইকেট পেয়েছেন হুজাইফা আহসান।

আরো পড়ুন: