সারোয়ারের এমন মন্তব্যের পর রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছিলেন, প্রধান কোচ পুরোপুরি মিথ্যাচার করেছেন। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও নারী দলের প্রধান কোচের চাকরি যে থাকছে না সেটা নারী বিভাগের চেয়ারম্যানের কথায়ই অনুমান করা গেছে। শেষ পর্যন্ত সেই অনুমানই ঠিক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়ার আগে প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সারোয়ারকে সরিয়ে দিয়েছে বিসিবি।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে নারী দলের সঙ্গে কাজ করা সারোয়ারকে সরিয়ে প্রধান কোচ হিসেবে ডেভিড হেম্পকে নিয়োগ দিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিসিবি। দুই বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। আগামী ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিগার সুলতানা জ্যোতি-সোবহানা মোস্তারিদের সঙ্গে কাজ করবেন হেম্প।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে হেম্পের সম্পর্কটা বেশ পুরনো এবং দীর্ঘদিনের। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে হওয়া নারী বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। একই দায়িত্বে ছিলেন চলতি বছর নেপালে হওয়া নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বেও। এ ছাড়া ২০২৩ সালের মে মাস থেকে বিসিবির কোচিংয়ে যুক্ত আছেন তিনি।
বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্সের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন হেম্প। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। ২০২৩ সালের নিউজিল্যান্ড সফরেও ছিলেন কোচিং স্টাফের সদস্য। এসবের পাশাপাশি পাকিস্তান নারী দলের প্রধান কোচ ছিলেন। কাজ করেছেন মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগেও।