ভারতের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হলেও টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ জিতেছে শ্রীলঙ্কা। তবুও প্রধান কোচের দায়িত্বে পরিবর্তন এনেছে শ্রীলঙ্কা। এক বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান সিডন্সকে। আগামী এপ্রিলে বাংলাদেশ সফর করবে শ্রীলঙ্কা নারী দল। বাংলাদেশ সফর দিয়েই দায়িত্ব নিচ্ছেন সিডন্স। নারীদের জাতীয় দলে এবারই প্রথম কোচিং করাবেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাশিতভাবে পারফর্ম করতে না পারলেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বেশ সুনাম ছিল সিডন্সের। ৫৩ হাফ সেঞ্চুরি ও ৩৫ সেঞ্চুরিতে ১১ হাজারের বেশি রান আছে তার। যদিও অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে একটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। ১৯৮৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় সিডন্সের।
পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে আর খেলা হয়নি তার। তবে কোচ হিসেবে বেশ সুনাম আছে সিডন্সের। ২০০৭ সালের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোচ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান এই কোচ। তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানরা বেড়ে উঠেছেন তার সময়েই।
২০২২ সালে আবারও বাংলাদেশে ফেরেন সিডন্স। সেবার অবশ্য বাংলাদেশের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন। অ্যাশওয়েল প্রিন্স না থাকায় ব্যাটিং কোচ হিসেবেও তামিম-সাকিবদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান সিডন্স।
বাংলাদেশের বাইরে ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসের প্রধান কোচ ছিলেন তিনি। ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কাজ করেছেন সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এপ্রিলে বাংলাদেশ সফর করবে শ্রীলঙ্কা। সেই সিরিজ দিয়েই কাজ শুরু করবেন সিডন্স।