১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে এই ত্রিদেশীয় সিরিজ। ফখরের মতে, বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই দল গুছিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তান। খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি এবং দলের সমন্বয় নিয়েও সন্তুষ্ট তিনি।
সংবাদমাধ্যমকে ফখর বলেন, 'দলের সমন্বয় খুব ভালো। উইকেটগুলোও সেভাবেই প্রস্তুত করা হচ্ছে। সবার মাথায় বিশ্বকাপ আছে, আর আমাদের দলীয় সমন্বয়ও দারুণ।'
পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা সম্প্রতি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেছেন। ফখরের বিশ্বাস, দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা ওয়ানডেতে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে তাঁদের।
তার ভাষায়, 'সবচেয়ে ভালো দিক হলো, সবাই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে এসেছে। তারা ছন্দে আছে এবং দীর্ঘ সংস্করণে খেলেছে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেললে ৫০ ওভারের ম্যাচ খুব দীর্ঘ মনে হয় না। নিয়মিত টি-টোয়েন্টি খেললে বরং ৫০ ওভারের ক্রিকেট দীর্ঘ মনে হতে পারে। সবাই ভালো ছন্দে আছে, এটা ইতিবাচক।'
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে পারেনি পাকিস্তান। তাই বিশ্বকাপের আগে এই আক্ষেপ ঘোচানোর চাপও অনুভব করছেন ক্রিকেটাররা। ফখর বলেন, 'আমরা জানি, বড় কোনো টুর্নামেন্ট জেতার পর অনেক দিন পেরিয়ে গেছে। ফাইনালে উঠেছি, খেলেছিও। কিন্তু একটি ট্রফি জেতার পর পুরো জাতি যে আনন্দ পায়, সেমিফাইনাল বা ফাইনালে ওঠার আনন্দ তার মতো নয়।'
বড় শিরোপা জেতার বিষয়টি দলের ভেতরেও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফখর। তিনি বলেন, 'এ নিয়ে আমাদের অনেক আলোচনা হয়েছে। অনেক খেলোয়াড় বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দেব। আশা করি, আল্লাহ আমাদের বিশ্বকাপ ট্রফি পাকিস্তানে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবেন।'
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাম্প্রতিক টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারের পর আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে তাদের মোকাবিলার কৌশল নিয়েও আলোচনা করেছে পাকিস্তান। তবে ফখরের মতে, টেস্ট ও সাদা বলের ক্রিকেটের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, আর দলেও এসেছে বেশ কিছু পরিবর্তন। তাই লাল বলের সিরিজের ফলকে ওয়ানডের সঙ্গে মেলাতে চান না তিনি।
ফখর বলেন, 'আমরা পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, যদিও ক্যামেরার সামনে সবকিছু বলা সম্ভব নয়। লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেট একেবারেই আলাদা। দলেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। প্রস্তুতি যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে আমরা আশাবাদী।'