তার ইনিংস জুড়ে ছিল চার-ছক্কার ফুলঝুরি। ইনিংস জুড়ে ১৯টি চার ও ৮টি ছক্কা মেরেছেন আর্যবীর। তবে তার এমন ব্যাটিংয়ের পরও ৩০০ ছুঁতে পারেনি দিল্লি অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তারা চণ্ডীগড়ের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৮৯ রান করে থেমেছে। এই রানের বেশিরভাগ অংশই আর্যবীরের ব্যাট থেকে এসেছে।
অবশ্য এমন বিধ্বংসী ইনিংসের পরও জয় পায়নি দিল্লি। ফলে বিফলে গেছে আর্যবীরের সেঞ্চুরি। ৫১ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে দিল্লিকে হারিয়েছে চণ্ডীগড়। তাদের হয়ে ওপেনার রুপেশ যাদব সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১২৫ বলে ১৬৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে আসে ২৩টি চার ও পাঁচটি ছক্কা।
এই টুর্নামেন্টে দিল্লির অধিনায়কত্ব করছেন আর্যবীর। চণ্ডীগড়ের বিপক্ষে তার ইনিংসের ১২৪ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে। এদিন ওপেনিংয়ে সঙ্গী অর্ণব বুগ্গার সঙ্গে ১৩.২ ওভারে ৯৮ রানের জুটি গড়েন আর্যবীর। ৩৯ বলে ৪৭ রান করে আউট হন বুগ্গা। অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান আর্যবীর।
শেষ পর্যন্ত ইনিংসের ৪৬তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ২৭ রান দূরে থামেন তিনি। বুগ্গা ছাড়া দিল্লির হয়ে দুই অঙ্কের রান করতে পেরেছেন আর মাত্র দুজন। অভিরাজ গগন সিং করেছেন ১৮ রান, আর ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন শান্তনু যাদব। চলতি টুর্নামেন্টে এর আগে ভালো শুরু পেয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারছিলেন না আর্যবীর।
আগের তিন ম্যাচে তার রান ছিল যথাক্রমে ৫৪, ৪৬ ও ৩২। সর্বশেষ ৩ ইনিংসের আক্ষেপ এক ইনিংসেই ঘুচিয়েছেন আর্যবীর। গত মাসে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও ভারতের হয়ে খেলেছেন আর্যবীর। সেই দলে ছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে অন্বয় দ্রাবিড়।
সিরিজে তিন ইনিংসে ১০৩.৮১ স্ট্রাইক রেটে ১০৯ রান করেছিলেন আর্যবীর। এবার ভিনু মানকড় ট্রফিতে নিজের চেনা রূপে ফিরলেন আর্যবীর। দিল্লি এর আগে গুজরাটের বিপক্ষে ৩৩৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে। এরপর যদিও তারা হিমাচল ও কর্ণাটকের হাতে হেরে যায়। ঝাড়খন্ডের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি হয় বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত।