রামপালের মতে, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেট আরও সহজ হয়ে উঠেছিল। তবু এমন পরিস্থিতিতে বোলারদের আরও নিয়ন্ত্রিত ও ধারাবাহিক হতে হতো। বিশেষ করে নতুন বল হাতে গতিতারকাদের কাছ থেকে আরও ভালো নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাশা ছিল তার।
রামপাল বলেন, ‘উইকেট দ্বিতীয় দিনে কিছুটা ভালো হয়েছে, আগের তুলনায় সমতল ছিল। পেসারদের জন্য খুব বেশি সহায়তা ছিল না, যদিও স্পিনারদের জন্য কিছুটা সুবিধা ছিল। কিন্তু আমাদের বোলিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব আবারও চোখে পড়েছে।’
প্রথম স্পেলে বোলাররা নির্দিষ্ট জায়গায় ধারাবাহিকভাবে বল করতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘শুরুতেই আমরা যতটা ধারাবাহিক হওয়া দরকার ছিল, ততটা হতে পারিনি। পরে রানের গতি কমানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু তখন সেটি অনেক কঠিন হয়ে গেছে।’
পাকিস্তানের ইনিংসের ভিত্তি গড়ে দেন আবদুল্লাহ শফিক ও বাবর আজম। তৃতীয় উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন ১৬৮ রানের জুটিই স্বাগতিকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। রামপলের মতে, দুই ব্যাটার ভালোই বল সামলেছেন। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা ছন্দে ফিরতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের উইকেটে বল বা পিচ থেকে বাড়তি সহায়তা না মিললে ধারাবাহিক বোলিংই উইকেট এনে দিতে পারে। আমাদের পেসারদের আরও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে, রান আটকে রাখতে হবে, যাতে ধীরগতির বোলাররা আক্রমণ করার সুযোগ পায়। ওদের ব্যাটাররা দারুণ খেলেছে।’