২০২২-২৩ মৌসুমে পাঞ্জাবের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় নেহালের। নিজের প্রথম ম্যাচেই গুজরাটের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। পরের মৌসুমে পাঞ্জাবের হয়ে সৈয়দ মুশতার আলী ট্রফিও জিতেছেন তিনি। সবমিলিয়ে এখনো পর্যন্ত ১৭ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, ১৬ লিষ্ট ‘এ’ ম্যাচ এবং ৬৯ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
যেখানে ৪৪ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও পাঞ্জাব কিংসের হয়ে। আইপিএলে ভালো করলেও ঘরোয়া ক্রিকেটের গত মৌসুমে পাঞ্জাবের হয়ে সেভাবে সুযোগ পাচ্ছিলেন না নেহাল। তিনটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচের সঙ্গে দুইটি ৫০ ওভারের ম্যাচ এবং চারটি টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। এমন অবস্থায় বেশি সুযোগের আশায় হিমাচলে যাচ্ছেন নেহাল।
হিমাচলের তৃতীয় অতিথী ক্রিকেটার হিসেবে হিমাচলের হয়ে খেলতে যাচ্ছেন নেহাল। ইতোমধ্যে দলটির হয়ে খেলছেন পুখরাজ মান ও আরিয়ামান সিং। অন্য দিকে উত্তরখাণ্ডের হয়ে সময়টা ভালো যায়নি প্রশান্তের। ৭ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ২৩.৮১ গড়ে করেছিলেন ২৬২ রান। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে খেলারই সুযোগ হয়নি তার। তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে করেছেন ৮৫ রান।
এমন অবস্থায় নিজের রাজ্যে ফিরতে হয়েছে প্রশান্তকে। তবে রঞ্জি ট্রফির জন্য হিমাচলের প্রি-সিজন ক্যাম্পে ডাকা হয়নি তাকে। কোচিং স্টাফেও পরিবর্তন এনেছে হিমাচল। ভিআরভি সিংয়ের জায়গায় প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভিনীত সাক্সেনা। বোলিং কোচ হিসেবে দেখা যাবে গাজানদীপ সিংকে।
২০২৫-২৬ মৌসুমটা একেবারেই ভালো যায়নি হিমাচলের। তিন ফরম্যাটেই নক আউটে উঠতে পারেনি তারা। বিশেষ করে রঞ্জি ট্রফিতে তাদের পারফরম্যান্স উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাত ম্যাচের দুইটিতে হারার পাশাপাশি বাকি পাঁচটি ম্যাচ ড্র করেছে। কোনো ম্যাচ জিততে না পারায় পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে ছিল হিমাচল। টি-টোয়েন্টিতে মাত্র একটি ম্যাচ জিতে তলানি থেকে দুইয়ে ছিল তারা।