২০২২ সালে বেন স্টোকস টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার পর ইংল্যান্ডের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন ম্যাককালাম। তার অধীনেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের নতুন ধারা ‘বাজবল’ আলোচনায় আসে। তবে চার বছরের দায়িত্বে ৪৯ টেস্টের মধ্যে ২০টিতে হারে ইংল্যান্ড। সবশেষ ৯ টেস্টের ৭টিতেই পরাজয় আসে, আর অস্ট্রেলিয়া কিংবা ভারতের বিপক্ষে কোনো পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজও জিততে পারেনি দল। আর এটিকেই দেখা হচ্ছে ম্যাককালামের আমলের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে ম্যাককালাম বলেন, ‘এটি ফলাফলের খেলা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা যে ফলাফল চেয়েছিলাম, তা এনে দিতে পারিনি। এজন্য আমি দুঃখিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। সেই সিরিজগুলো জিততে না পারলে আপনি যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছিলেন, তা পূরণ করতে পারেননি।’
ম্যাককালাম বলেন, ‘চার বছরে আমরা অনেক ভালো কাজ করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফলাফল আমাদের প্রত্যাশার সঙ্গে মেলেনি। আর সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
গত মাসে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারার পরই ম্যাককালামের বিদায় নিশ্চিত হয়। এর কয়েক দিন আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস।
অস্ট্রেলিয়ায় ৪-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ হারার পর থেকেই ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকে। মাঠের বাইরের কয়েকটি বিতর্কও দলের সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।
এসব প্রসঙ্গে ম্যাককালাম বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমরা কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি। এরপর শক্তিশালী নিউজিল্যান্ড দলের কাছেও হেরেছি। এতে ফলাফলের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। একটা সময় কাউকে না কাউকে এর দায় নিতে হয়। আমি সেই দায় নিচ্ছি।’
যদিও টেস্ট দলের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, ২০২৭ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সাদা বলের দুই দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন ম্যাককালাম।