আমি ধোনি ও কপিল দেবের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই: যুবরাজ সিং

ভারতীয় ক্রিকেট
যুবরাজ সিং ও মহেন্দ্র সিং ধোনি
যুবরাজ সিং ও মহেন্দ্র সিং ধোনি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ভারতীয় ক্রিকেট দলে এক ঝাঁক তারকার ভিড়ে নিজের আলোয় উজ্জ্বল ছিলেন যুবরাজ সিং। শচীন টেন্ডুলকার থেকে বীরেন্দর শেবাগ, এমএস ধোনি থেকে জহির খান। এদের প্রত্যেকের সঙ্গেই খেলেছেন যুবরাজ। এতো তারকা বোলারদের ভীরেও নিজেকে আলাদা করে চিনিয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার।

ভারতের হয়ে জিতেছেন ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দুটি আসরেই ভারতের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন যুবরাজ। বিশেষ করে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে সবচেয়ে বেশি নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছিলেন তিনি। তবে অন্য অধিনায়করা সেভাবে সুযোগ দেননি এই অলরাউন্ডারকে।

যদিও যুবরাজের অধিনায়কত্ব না পাওয়া ও তার ক্যারিয়ার শেষের পেছনে যুবরাজের বাবা যোগরাজ সিং সবসময় দায়ী করেন ধোনিকেই। এবার প্রকাশ্যেই ধোনি ও কপিল দেবের কাছে ক্ষমা চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুবরাজ। সম্প্রতি স্পোর্টস তাক পডকাস্টে হাজির হয়েছিলেন যুবরাজ।

সেই টিজারেই যুবরাজকে বলতে শোনা যায়, 'আমি কপিল দেব এবং এমএস ধোনির কাছে ক্ষমা চাইতে চাই।' সেখানে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, 'এই সাক্ষাৎকারগুলো শুনে কি আপনার খারাপ লাগে?' প্রশ্নটি করার সময় যোগরাজ সিংয়ের ছবি দেখানো হয়। এর জবাবে যুবরাজ বলেন, 'আমি বাবাকে বলেছি, এটা ঠিক নয়।'

যোগরাজ নিজেও ক্রিকেটার ছিলেন। খেলেছিলেন পাঞ্জাবের হয়ে। এরপর কোচিংও করিয়েছেন তিনি। ২০২৫ সালে তিনি বলেছিলেন, ১৯৮০ এর দশকে দল থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কপিল দেবকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন তিনি। ইন্ডিয়া টুডের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, এক ইউটিউব চ্যানেলের ‘আনফিল্টার্ড বাই সমদিশ’ অনুষ্ঠানে যোগরাজ বলেন, 'কপিল দেব যখন ভারত, নর্থ জোন এবং হরিয়ানার অধিনায়ক হলেন, তিনি কোনো কারণ ছাড়াই আমাকে দল থেকে বাদ দেন।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার স্ত্রী, যুবির মা, আমাকে কপিলকে প্রশ্ন করতে বলেছিলেন। আমি তাকে বলেছিলাম, এই লোকটাকে আমি শিক্ষা দেব। আমি পিস্তল বের করে সেক্টর ৯-এ কপিলের বাড়িতে যাই। তিনি তার মায়ের সঙ্গে বেরিয়ে আসেন। আমি তাকে একাধিকবার গালাগাল দিই।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি বলি, তোমার জন্য আমি একজন বন্ধুকে হারিয়েছি, আর তুমি যা করেছ তার জন্য তোমাকে মূল্য দিতে হবে। আমি তাকে বলেছিলাম, ‘আমি তোমার মাথায় গুলি করতে চাই, কিন্তু তা করছি না, কারণ তোমার মা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন।’ তারপর আমি শবনমকে বলি, ‘চলো যাই।’ সেই মুহূর্তেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমি আর ক্রিকেট খেলব না—যুবি খেলবে।'

আরো পড়ুন: