ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ফ্যালকনস। শুরুতেই চাপে পড়ে জ্যামাইকা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কির্ক ম্যাকেঞ্জিকে হারানোর পর কিয়াসি কার্টির বিদায়ে ৩০ রানেই দুই উইকেট হারায় তারা।
এরপর মাজ সাদাকাত ও সাইম আইয়ুবের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে জ্যামাইকা। তৃতীয় উইকেটে দুজন যোগ করেন ৮০ রান। ২২ বলে ২৯ রান করে আইয়ুব ফিরলে আবারও চাপে পড়ে কিংসমেনরা।
দ্রুতই আরও কয়েকটি উইকেট হারায় জ্যামাইকা। রভম্যান পাওয়েল, রোমেইন মরিস, হাসান খান ও কিমো পল দ্রুত ফিরে গেলে ১৫.৫ ওভারে ১২৭ রানে সাত উইকেটে পরিণত হয় তাদের ইনিংস। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন মাজ।
শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১১৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন মাজ। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও ৯টি ছক্কা। ১৯.৫ ওভারে নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। তার বিদায়ের পর শেষ বলে এক রান নিয়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৭০ রান সংগ্রহ করে জ্যামাইকা। ফ্যালকনসের হয়ে ১৪ রানে চার উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম।
জবাবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ফ্যালকনস। রাহকিম কর্নওয়াল মাত্র ৬ বলে ২০ রান করে ফিরলেও প্রথম ওভারেই দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০। এরপর এভিন লুইস ও আমির জাংগুর ব্যাটে এগিয়ে যায় ফ্যালকনস। লুইস ২৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন।
লুইসের বিদায়ের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নেন আমির জাংগু ও হাসান নওয়াজ। তৃতীয় উইকেটে ৮৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে তারা। জাংগু ৩৪ বলে ৫৭ এবং নওয়াজ ৩৫ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন। জাংগুর ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা, নওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ৩টি করে চার ও ছক্কা।
শেষ পর্যন্ত ১৬.৪ ওভারে ২ উইকেটে ১৭৩ রান তুলে ফাইনাল জিতে নেয় অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস। জ্যামাইকার হয়ে সাইম আইয়ুব ও ভিটেল লওয়েস একটি করে উইকেট নিলেও ফ্যালকনসের ব্যাটারদের ওপর যথেষ্ট চাপ তৈরি করতে পারেননি তারা।