নতুন বিধিনিষেধের কারণে এলপিএলের ড্রাফটে দল গোছাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি কৌশলি হতে হয়েছে দলগুলোকে । পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটারদের পুরো আসরে না পাওয়া। কেননা শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অনেক ক্রিকেটার জুলাইয়ে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ খেলবেন, ফলে তারা এলপিএলে অংশ নিতে পারবেন না।
ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়মের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন অলরাউন্ডাররা। এ কারণেই আইপিএলের মালিকরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ টি-টোয়েন্টিতে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মটি চালু করা হয়নি এবারের আসরে। তবে, দুই বছর পর মাঠে ফেরা এলপিএল টুর্নামেন্টকে আরো আর্কষণীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করতে দ্বিতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট হিসেবে এই নিয়ম চালু করছে এলপিএল।
এদিকে এলপিএলের পাঁচ দলের মধ্যে চারটিই নতুন মালিকানা ও কোচিং স্টাফ নিয়ে নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করছে। শুধু ডাম্বুলা সিক্সার্স আগের নামেই রয়েছে। যদিও ২০২৪ মৌসুমের আগে দলটি দুই দফা মালিকানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। নতুন পরিচয়ে জাফনা এখন এসসি জাফনা কিংস, গল হয়েছে গল গ্যালান্টস, ক্যান্ডি হয়েছে ক্যান্ডি রয়্যালস এবং কলম্বো পরিচিত হবে কলম্বো ক্যাপস নামে।
চার ঘণ্টারও কম সময়ে শেষ হওয়া ড্রাফটে প্রতিটি দলকে অন্তত ১৮ জনের স্কোয়াড গঠন করতে হয়েছে। চাইলে অতিরিক্ত দুইজন ক্রিকেটারও নেওয়ার সুযোগ ছিল। মোট ১৪টি বাধ্যতামূলক রাউন্ডের পাশাপাশি দুটি ঐচ্ছিক রাউন্ডও রাখা হয়েছিল। ৩০ জন বাংলাদেশী ক্রিকেটার এলপিএল ড্রাফটে নাম লেখালেও ড্রাফট থেকে দল পেয়েছেন পেসার হাসান মাহমুদ ও অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। এর আগে সরাসরি চুক্তিতে দল পান লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ ও সাকিব আল হাসান।