এবারের আসরটি অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ড আটটি ভেন্যুতে। আয়োজক হিসেবে থাকছে অ্যান্টিগা ও বার্বুডা, বার্বাডোজ, গায়ানা, জ্যামাইকা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং নতুন সংযোজন সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস। এর ফলে প্রতিযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত হলো এবং নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
লিগের প্রধান নির্বাহী পিট রাসেল জানিয়েছেন, নতুন অঞ্চলে খেলা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা দীর্ঘদিনের। সেই পরিকল্পনারই অংশ হিসেবে এবারের আয়োজনকে আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এতে করে স্থানীয় ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং সমর্থকদের সম্পৃক্ততা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিপিএলের এবারের আসরটি আরও একটি কারণে বিশেষ হয়ে উঠছে। এবার প্রথমবারের মতো সাতটি দল অংশ নিচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়। নতুন দল হিসেবে যুক্ত হয়েছে জ্যামাইকা কিংসম্যান, যা প্রতিযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
৭ আগস্ট সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নোস ভেল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী ম্যাচ। সেখানে নতুন দল জ্যামাইকা কিংসম্যান মুখোমুখি হবে অ্যান্টিগা ও বার্বুডা ফ্যালকনসের। একই মাঠে আরও দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস খেলবে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে এবং অ্যান্টিগা ও বার্বুডা ফ্যালকনসের প্রতিপক্ষ হবে সেন্ট লুসিয়া কিংস।
২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্পিন সহায়ক উইকেটের জন্য আলোচিত এই আর্নোস ভেল মাঠ আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। শুরুর ম্যাচগুলো এখানেই আয়োজন করা হবে, যা প্রতিযোগিতার শুরুটাকে আকর্ষণীয় করে তুলবে।
প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায়ের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভাল মাঠে। এলিমিনেটর, দুটি কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনালসহ সব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এখানেই গড়াবে। আগামী ১৬ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হবে এবারের শিরোপা লড়াই।