গুজরাটের আইপিএল শুরুর আগে মিডল অর্ডার নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন নেহরা

আইপিএল
গুজরাটের প্রধান কোচ আশিষ নেহরা
গুজরাটের প্রধান কোচ আশিষ নেহরা
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আইপিএলের গত আসরে গুজরাট টাইটান্সের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ ধরা হয় মিডল অর্ডারের ব্যর্থতাকে। তবে মিডল অর্ডার নিয়ে সমালোচনায় মোটেই বিচলিত নন দলটির প্রধান কোচ আশিষ নেহরা। এই ব্যর্থতার পরেও তার দল এলিমিনেটরে জায়গা করে নিয়েছিল।

যদিও দলটির টপ অর্ডার ছিল দারুণ ফর্মে। বিশেষ করে শুভমান গিল, সাই সুদর্শন ও জস বাটলার ১৫ ম্যাচে মিলে করেছিলেন ১ হাজার ৯৪৭ রান। তিনজনই আইপিএলের গত আসরে সেরা ১০ রান সংগ্রাহকের মধ্যে ছিলেন। সুদর্শন ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। আর মাথায় উঠেছিল অরেঞ্জ ক্যাপ।

নতুন আসর শুরু করার আগে মিডল অর্ডার নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে নেহরা বলেন, 'প্রথমত, একজন কোচ হিসেবে আমি মনে করি না মিডল অর্ডার ধসে পড়েছিল। হ্যাঁ, উপরের তিন ব্যাটার দারুণ রান করেছে এবং অনেক সময় ১৭-১৮ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করেছে, যেটা দলের শক্ত অবস্থানের অন্যতম কারণ ছিল ১৩-১৪ ম্যাচের পর।'

তিনি আরও বলেন, 'টুর্নামেন্টের শেষটা হতাশাজনক ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যখন আপনার উপরের তিন ব্যাটার এত রান করে, তখন মিডল অর্ডারের সামনে স্বাভাবিকভাবেই খুব কম বল খেলার সুযোগ আসে, আর সেটা সহজ কোনো ভূমিকা নয়। ১৪ ম্যাচে হয়তো এক-দুবার পাঁচ বা ছয় নম্বর ব্যাটার ম্যাচ শেষ করতে পারেনি, কিন্তু এটাও খেলারই অংশ। রাহুল তেওয়াতিয়া, শাহরুখ খান বা শেরফেন রাদারফোর্ড, যেই হোক, তারা তাদের কাজ করেছে বলেই আমরা সেই জায়গায় ছিলাম।'

নেহরা মনে করেন নতুন কোনো ব্যাটারের জন্য ১৮তম ওভারে এসে জসপ্রিত বুমরাহ বা জফরা আর্চারের মতো বোলারদের মোকাবিলা করা নিশ্চিতভাবেই কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ প্রসঙ্গে নেহরা বলেন, 'ফিনিশারদের নিয়ে কথা বলা সবসময়ই সহজ, কিন্তু যখন কেউ ১৮তম ওভারে নেমে দুই ওভারে ৩৫ রান দরকার হয়, বিশেষ করে বুমরাহ বা আর্চার বল করলে, তখন সেটা মোটেও সহজ নয়।'

২০২৫ মৌসুমে টাইটান্স প্রথম ১২ ম্যাচের মধ্যে ৯টিতে জিতেছিল। তবে শেষ দুই ম্যাচে হেরে তারা পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় হয়ে এলিমিনেটরে ওঠে, যেখানে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়। নেহরার শিষ্যরা আইপিএল শুরু করবে আগামী ৩১ মার্চ, পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে, মুল্লানপুরের নতুন স্টেডিয়ামে।

আরো পড়ুন: