৮ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে সিলেট। সেঞ্চুরির দাঁড়প্রান্তে থাকা অমিত হাসান আগের দিনের ৯৪ রানের সাথে কোনো রান যোগ না করেই আবু হাশিমের বলে বোল্ড হন। এরপর আর ২ রান যোগ করতেই অলআউট হয় সিলেট। রংপুরের হয়ে হাশিম ৪ টি এবং হাসিবুল হাসান, চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান ও স্বাধীন একটি করে উইকেট নেন।
২১১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওয়ানডে মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অনিক ও মিম মোসাদ্দেক। ১১ রান করা মিমকে ফেরান তোফায়েল আহমেদ। ইকবাল হোসেনকে ৪ রানে ফেরান নাসুম আহমেদ। অন্যপ্রান্তে ওপেনার অনিক তুলে নেন ফিফটি। ৫৫ রান করা এই ওপেনারকেও নিজের শিকার বানান নাসুম।
৪ নম্বরে নামা আবদুল্লাহ আল মামুন একপ্রান্ত আগলে রাখলেও অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন রংপুর। নাসুমের বলে বোল্ড হবার আগে অধিনায়ক আকবর আলী করেন ১০ রান। নাইম আহমেদের বলে লেগ বিফোর হয়ে মামুন ফেরেন ৫২ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে।
এরপর ৪২ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানেই অলআউট হয় রংপুর। ৩৭ রানে ম্যাচ জিতে নেয় সিলেট। সিলেটের হয়ে নাসুম নেন ৫ উইকেট। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসের মতো এই ইনিংসেও ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন নাইম।
আরেক ম্যাচে ৯ উইকেটে ৩৪২ রান নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে ঢাকা। এক উইকেট হাতে নিয়েই এদিন আরো ৩৫ রান তোলেন সুমন খান ও সালাউদ্দিন শাকিল। সুমন ১২৮ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলে আরিফুল ইসলামের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন। প্রথম ইনিংসে ঢাকা অলআউট হয় ৩৭৭ রানে। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে করেছিল ৩৮৭ রান।
১০ রানের লিড নিয়ে অবিসম্ভাবী ড্র এর দিকে এগোতে থাকা ম্যাচে ব্যাট করতে নামে ময়মনসিংহ। ওপেনার আরিফুল ইসলাম তুলে নেন ফিফটি। সেঞ্চুরির পথে থাকা এই ওপেনারকে থামান লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ১৬৩ বলে ৯২ রান করেন আরিফুল। আরেক ওপেনার ২৮ রান করে মাহফুজুর রাব্বির শিকার হন খালিদ হাসান।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান মাহফিজুল ইসলাম রবিন আউট হন ১০২ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে। ময়মনসিংহের রান যখন ৩ উইকেটে ১৬৭ তখন ম্যাচ ড্র মেনে নেন দুই দলের অধিনায়ক। ৩ ম্যাচ শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট, ময়মনসিংহের পয়েন্ট সমান ৩।