সুপার ওভারে আগে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেটে ১০ রান করে বাংলাদেশ। জাবাবে ১ উইকেট ৩ রান নিয়ে শেষ করে আফগানিস্তান। রুবাই ইসলাম রিজন সুপার ওভারে দারুণ বোলিং করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন। এর ফলে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
এর আগে মূল ম্যাচে বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশকে বেশ ভালো শুরু এনে দেন আব্দুল্লাহ আল মুহি ও শেখ জারিফ সিয়াম। দুজনে মিলে যোগ করেন ৭০ রান। সিয়াম ২২ রান করে ফিরলেও মুহি তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। এই ওপেনার ফিরলেও তিন নম্বরে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেন আল আমিন হোসেন। তিনি ৫৬ বলে ৭১ রান করেন।
আর আব্দুল্লাহ আল মামুন করেন ৬৬ বলে ৫৬। এই দুজনের তৃতীয় উইকেটে যোগ করা ৭৯ রানের জুটিতেই ম্যাচে থাকে বাংলাদেশ। শেষদিকে রিজন ১৯ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থেকে ম্যাচ টাই করেন। শেষ পর্যন্ত ৩ রানে অপরাজিত ছিলেন আরেক ব্যাটার আতিকুর রহমান আকাশ। আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে একাই ৩ উইকেট নেন নূর নিয়াজি। দুটি করে উইকেট পান সোহেল খান ও লুতফুল্লাহ মোহাম্মাদি।
এর আগে এই ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু পায় আফগানিস্তান। আবিদুল্লাহ নাদারজান ও ফারিদুল্লাহ ইহসাসের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৫৬ রান। ২৭ বলে ২৩ রান করে আবিদুল্লাহ ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর সুবহান জাখাইলকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন ফারিদুল্লাহ। ৩৮ বলে ২৭ রান করে সুবহান আউট হলে কিছুটা ছন্দ হারায় আফগানিস্তান।
হাফ সেঞ্চুরির পর টিকতে পারেননি ফারিদুল্লাহর। এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ৪৭ বলে ৫১ রান। তার ইনিংস সাজানো ছিল নয়টি চারে। এরপর নোমান সালারজাই ও হামজা খানের জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় আফগানিস্তান। ৪৪ বলে ২৯ রান করে হামজা ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন নোমান। পরে তাহির সারওয়ারির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে তিনশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে যায় দলটি। ৩১ বলে ৪৩ রান করেন তাহির। তার ইনিংসে ছিল একটি চার ও তিনটি ছক্কা।
শেষ দিকে আমির হামজার ১১ বলে ২১ রানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে আফফানিস্তানের বড় সংগ্রহে। তার ব্যাট থেকে আসে একটি চার ও দুটি ছক্কা। তাতেই শেষ পর্যন্ত ৩০৪ রান তুলে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিজন। এই পেসার ৭২ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন। জারিফ ৩৪ রানে নেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট পান আল আমিন ও শাকিল খান।