এমন অবস্থায় দলটিতে নতুন ক্রিকেটারদের সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। সাবেক এই অজি পেসার বাংলাদেশ দলকেও প্রশংসা ভাসিয়েছেন। বিশেষ করে তানজিদ হাসান তামিম ও বাংলাদেশের বাকি ব্যাটারদের প্রশংসা করেছেন তিনি। ডারউইনের পারফরম্যান্স ম্যাকাইয়ে ধরে রাখা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে গিলেস্পি বলেন, ‘তারা দারুণ খেলেছে। প্রথম টেস্টে আমার মনে হয়েছে, তারা বেশ ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ খুব, খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। তারা যদি আবার একইভাবে বোলিং করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের বিপক্ষে আরও ভালো করার সুযোগ থাকবে। বাংলাদেশের পেসাররাও ভালো করেছে। তাদের জয় প্রাপ্য ছিল।’
তানজিদ ও বাংলাদেশের প্রশংসা করে এই অজি তারকা বলেছেন, ‘তানজিদ হাসান সেঞ্চুরি করেছে এবং অন্য ব্যাটসম্যানরাও অবদান রেখেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি ভালো কিছু লক্ষণ। এখন তাদের চ্যালেঞ্জ হলো, এই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। আর অস্ট্রেলিয়া চাইবে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর ঘুরে দাঁড়াতে।’
ডারউইনে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন গিলেস্পি। ডারউইনে বাংলাদেশ অজিদের চেয়ে ভালো খেলেছে সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে বাংলাদেশ ধৈর্যের পরীক্ষায় উতরে গেছে বলে মনে হয়েছে তার। তবে অস্ট্রেলিয়া ম্যাকাইয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
গিলেস্পি বলেন, ‘প্যাট কামিন্সের অধিনায়কত্ব ঠিকঠাক ছিল, কিন্তু প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া খুব বাজে ব্যাটিং করেছে। পুরো ম্যাচেই বাংলাদেশ তাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। তারা পুরোনো ধাঁচের, ধৈর্যশীল টেস্ট ক্রিকেট খেলেছে। ম্যাকাই অস্ট্রেলিয়া শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াবে। তবে এটি বয়সী একটি দল এবং আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে নির্বাচকেরা নতুন খেলোয়াড় নিয়ে আসবেন।’
২২ আগস্ট থেকে ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। সেই ম্যাচের জন্য অস্ট্রেলিয়া দলে ইতিমধ্যে একটি পরিবর্তন নিশ্চিত হয়েছে। জেক ওয়েদারল্ডের জায়গায় একাদশে নেওয়া হয়েছে ম্যাট রেনশকে। তবে এই ম্যাচে স্কট বোল্যান্ডকে একাদশে ফেরানো হয়নি। ফলে আগের মতোই মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউডকে নিয়ে পেস বোলিং আক্রমণ সাজিয়েছে অজিরা। স্পিন আক্রমণে আছেন ন্যাথান লায়ন।