মিরাজ এদিন বোলিং করেছেন ৩৮ ওভার! ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ২.৬৮। উইকেট নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে রান আটকে রাখার কাজটাও করেছেন মিরাজ। যদিও এমন উইকেটে পেসারদেরই বড় ভূমিকা রাখার কথা ছিল। আগেরদিন সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনও তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশার কথা বলেছিলেন।
মিরাজ মনে করেন অপরপ্রান্তে তাসকিন আহমেদ দারুণ বোলিং করেছেন। তার সাহয্য না পেলে ৫ উইকেট পাওয়া হতো না মিরাজের। সেই কথা স্বীকার করেই তিনি বলেন, 'তাসকিন যেভাবে বোলিং করেছে সে কারণেই আমরা ওদের কম রানে আটকাতে পেরেছি। আমার জন্য কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছিল যখন ও ২টা উইকেট নিয়েছে এবং আমিও ২টা উইকেট নিয়েছি। আমাদের পার্টনারশিপটা খুব ভালো ছিল, আমরা প্রায় ১০ ওভারের মতো বোলিং করেছি।'
বোলিংয়ের পরিকল্পনা খোলাসা করে মিরাজ যোগ করেন, 'আমি যখন বোলিং করেছি তখন দলের অবস্থা একটু ব্যাকফুটে ছিল। কারণ আমরা অনেক রান দিয়ে দিয়েছি এবং উইকেটও পড়েনি। তাই আমার দায়িত্বটা ওইরকমই ছিল যেন এক প্রান্ত থেকে রান না দেই। কারণ আমিও যদি রান দিয়ে দেই তাহলে কিন্তু ওদের খেলা আরও ওপেন হয়ে যাবে এবং ওরা হয়তো আরও ৩০ থেকে ৪০ রান বেশি করত, তখন আমরা আরও ব্যাকফুটে পড়ে যেতাম।'
দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশকে হতাশ করে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল। দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ১৭৯ রান। একমাত্র উইকেটটিও নিয়েছিলেন মিরাজই। তৃতীয় দিনে পাকিস্তানকে অল আউট করে দিয়ে স্বস্তি ফিরে পেলেও কাজ বাকি আছে অনেক। মিরাজ মনে করেন ৩০০ রান হলে এই উইকেটে শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে পারবে বাংলাদেশ।
সেই লক্ষ্যের কথা জানিয়ে মিরাজ বলেন, 'মিরপুরে কত রান নিরাপদ তা বলা কঠিন, তবে অন্তত এমন একটা স্কোর করতে চাই যেটা আমাদের বোলাররা ডিফেন্ড করতে পারে। প্রায় ২৯০ বা ৩০০ রান এই উইকেটে ভালো স্কোর হতে পারে কারণ ৪-৫ নম্বর দিনে ব্যাটিং করা অনেক কঠিন হবে।'