জবাবে খেলতে নেমে বাংলাদেশের চোখে চোখ রেখে পারফরম্যান্স করছে পাকিস্তান। তারা দিন শেষ করেছে ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে। তারা এখনও পিছিয়ে আছে ২৩৪ রানে। দ্বিতীয় দিনটি বাংলাদেশের না হওয়ার পেছনে বড় কারণ হিসেবে পেসারদের এলোমেলো বোলিংকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'সকালে পাকিস্তান অনেক ভালো বল করেছে। ব্যাটিং করা অনেক কঠিন ছিল। আরেকটি সেশন ব্যাটিং করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো হতো। দিনশেষে আমরা ৪০০ রান পার করেছি। আর ৫০ রান করলে আমাদের জন্য ভালো হতো। বোলিংয়ে আমরা একটু এলোমেলো ছিলাম। এটা টেস্ট ক্রিকেট কামব্যাক করার সুযোগ আছে। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করব।'
এমন অবস্থা থেকেও পেসারদের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন। পেসাররা সব সময় বাংলাদেশকে ম্যাচ জিতিয়েছেন। তাই তাদের ওপর আস্থা রাখতে চান বাংলাদেশ কোচ। তিনি আত্মবিশ্বাসী তৃতীয় দিনই ঘুরে দাঁড়াবেন বাংলাদেশের পেসাররা।
তিনি যোগ করেন, 'এই উইকেটে আমার কাছে মনে হয় এখনো বোলারদের অনেক কিছু করার আছে। বিশেষভাবে পেস বোলারদের। আমরা বললাম তো আজকে আমরা যেহেতু একটা সেশন ভালো বল করি নাই—এটা দৃশ্যমান, এটা সবাই বুঝতে পারছে যে আমরা আসলে ভালো বল করি নাই। তো এটা আসলে সমাধান করা সম্ভব এবং এটা খুব তাড়াতাড়ি করবে। কারণ আমাদের ফাস্ট বোলাররা সবসময় আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছে এবং তারা অভিজ্ঞ, আমার মনে হয় যে তারা আগামীকাল ভালো করবে।'
সালাহউদ্দিন মনে করেন বাংলাদেশের পেসাররা উইকেটে ঘাস দেখে উইকেট নিতে নিজেদের গতি ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন। যেটা হিতে বিপরীত হয়েছে। পাকিস্তানের চেয়ে পেস বোলিং আক্রমণে বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল বলে দাবি সালাহউদ্দিনের। বোলাররা তৃতীয় দিনে বেশি যে আলগা বল না করেন সেদিকেই মনোযোগ রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সালাহউদ্দিন যোগ করেন, 'যেকোনো ফাস্ট বোলারই যখন উইকেটে দেখবে যে ঘাস আছে, তাদের রোমাঞ্চ আসতেই পারে। কারণ যেহেতু বলে মুভমেন্ট আছে, বল জোরে যাচ্ছে। তখন যেকোনো বোলারই হয়তো চিন্তা করে যে হয়তো আমি পেস দিয়ে তাকে বিট করে ফেলব। আমার মনে হয় যে পাকিস্তানের থেকে আমাদের পেস একটু বেশি হলেও আমাদের এই জায়গাটা আমরা একটু এগিয়েছিলাম। কিন্তু আপনাকে ভালো জায়গায় তো বল করাটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তো আমার মনে হয় যে আমরা অনেক আলগা বল করেছি। ওইটা যেন আগামীকাল না হয় সেটাই আমরা লক্ষ্য রাখব।'