‘যেহেতু প্রতিপক্ষ ছিল না, কারসাজির সম্ভাবনা নাই বললেই চলে’

বাংলাদেশ ক্রিকেট
ফারুক আহমেদ
ফারুক আহমেদ
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সরকারের হস্তক্ষেপের সঙ্গে অনিয়ম, কারসাজির অভিযোগ এনে একসঙ্গে বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম ইকবালসহ ১৬ জন প্রার্থী। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে যোগ দেন আরও কয়েকজন। নির্বাচনের পর থেকেই আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডকে অবৈধ বলে আসছেন তামিমরা। পাশাপাশি নির্বাচনের অনিয়ম নিয়েও বেশ সরব তারা। তবে ফারুক আহমেদ মনে করেন, যেহেতু প্রতিপক্ষ ছিল না তাই গত নির্বাচনে ম্যানিপুলেশনের খুব বেশি সম্ভাবনা ছিল না। এ ছাড়া নির্বাচন ঠিকঠাকই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিসিবির সহ-সভাপতি।

বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে ফারুক অংশ নেবেন কিনা সেটা নিয়ে সংশয় ছিল। যদিও শেষ মুহূর্তে এসে মনোনয়ন জমা দেন বিসিবির সাবেক সভাপতি। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় বেধে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে রেঞ্জার্স ক্রিকেট একাডেমির পক্ষ থেকে ফারুক মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন রাত সাড়ে আটটার দিকে।

দুই ঘণ্টা দেরিতে কেন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন সেটার জন্য সেই সময় তাকে তলব করেছিলেন নির্বাচন কমিশনার। কয়েক মাস পর একই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটির কাছে। তাদের কাছেও ফলাফল দেরিতে আসার বিষয়টা বলেছেন তিনি। ফারুক বলেন, ‘আপনারা জানেন তদন্ত কমিটিই হয় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। আমাদের ব্যাপারে নির্দিষ্ট দুই-তিনটা জিনিস জানতে চেয়েছিল, আমার সাবমিশনটা কেন দেরি হয়েছিল।’

‘আমি বলেছিলাম ওই চারটা দলের আমি যে দলের কাউন্সিলর সেই দলটাও ছিল। এদের একটা অভিযোগের ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছিল, ওই ট্রাইব্যুনালের ফলাফল দিতে দেরি হয়েছিল। তারপর সভাপতি, সিইও তাদের অনুমতি নিযে আমাকে দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়। এটার ব্যাপারে পরের দিন আমাকে নির্বাচন কমিশনার ডেকেছিলেন সেখানেও বলতে হয়েছে কেন দেরি হয়েছে। আমি তাদেরও একই কথা বলেছি।’

বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একটা সময় মনে হচ্ছিল সুষ্ঠভাবেই হবে নির্বাচন। তবে আচমতা সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তামিম। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়কের সঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন আরও ১৫ জন। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন একই অভিযোগ এনে সরে দাঁড়ান। ফারুক জানান, যেহেতু প্রতিপক্ষ ছিল না সে কারণে এখানে ম্যানিপুলেশনও হয়নি।

ফারুক বলেন, ‘আমি বলেছি নির্বাচনে তো এখানে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। সুতরাং এখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কেমনে থাকবে? এখানে ভোটার ছিল ৭৬ জন, ৪২ ভোট কাস্ট হয়েছে এবং আমি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছি। সুতরাং ওইখানে ৩৪ ভোট নাই। যেহেতু প্রতিপ্রক্ষ ছিল না ওইখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কম থাকে, নাই বললেই চলে। আমার মনে হয় ভোটাভুটি যেটা হয়েছে, ঠিকই হয়েছে।’

আরো পড়ুন: