লাল বলের ক্রিকেটেও খেলতে চান সৌম্য

ছবি: সাদা পোশাকের ক্রিকেটে সৌম্য সরকার

সৌম্য সর্বশেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন গত বছরের অক্টোবরে জাতীয় ক্রিকেট লিগে। এর আগে জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০২১ সালে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সৌম্য আবারও লাল বলের ক্রিকেট ঘিরে নিজের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সোহেল ইসলাম।
৬ ছক্কায় হৃদয়ের হাফ সেঞ্চুরির পরও ১৩৫ রানে অল আউট লিটনরা
২৬ আগস্ট ২৫
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, 'আপনারা জানেন, সৌম্য জিএসএলে খেলছিল। আমরা যখন লাল বলের ক্রিকেট নিয়ে অনুশীলন করছিলাম। সে ফিরে আসার পর, আমরা ইতোমধ্যে সাদা বলের অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। একজন খেলোয়াড় হিসেবে কেউই একটিমাত্র ফরম্যাটে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। সৌম্য নিজেও লাল বলের ক্রিকেট খেলতে আগ্রহী এবং তার সেই দক্ষতা ও সক্ষমতা উভয়ই আছে কারণ সে আগেও টেস্ট ম্যাচ খেলেছে।'

লঙ্গার ভার্সন ও সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে যেমন সিঙ্গেলস ও বাউন্ডারির ওপর বেশি মনোযোগ দিতে হয়। লঙ্গার ভার্সনে পরীক্ষা দিতে হয় ধৈর্যের। এমনকি মানসিক দৃঢ়তাও জরুরি। ক্রিকেটারদের এই বিষয়গুলো নিয়েই দীক্ষা দিচ্ছেন বিসিবির এই কোচ।
মনোবিদ স্কটের বিকল্প খুঁজছে বিসিবি
১ ঘন্টা আগে
তিনি বিষয়টি খোলাসা করে বলেছেন, 'সকলেই সব ফরম্যাটে খেলতে চায়। আপনারা জানেন, লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেটের মধ্যে খেলার ধরনের অনেক পার্থক্য রয়েছে। ব্যাটিং কৌশল, মানসিকতা, ম্যাচের পরিকল্পনা এবং শট প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়। এই কারণেই আমরা খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিই, যাতে তারা জানে যে লাল বলে খেলার সময় তাদের মানসিক কৌশল কেমন হবে, তারা কীভাবে খেলবে এবং তাদের টেকনিকগুলো কীভাবে কার্যকর করবে।'
সোহেল ইসলাম যোগ করেন, 'এরপর যখন তারা এই ফরম্যাট থেকে ওয়ানডেতে যায়, তখন পরিস্থিতি ভিন্ন হয়; ওয়ানডেতে অনেক বেশি সিঙ্গেলস নিতে হয়। অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টিতে খেলার সময়, যে বলগুলোতে সাধারণত একক রান আসে, সেগুলোতেও আমরা বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করি। এভাবে খেলার ফরম্যাটের সাথে সাথে ব্যাটিংয়ের কৌশল এবং শট নির্বাচনও পরিবর্তিত হয়।'