এজবাস্টনে ৩২০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। রবিনসনের অফ স্টাম্পের বাইরের ফুল ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ব্রুকের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন সাইম আইয়ুব। প্রত্যাবর্তনের টেস্টে দুই ইনিংসেই ডাক মেরেছেন বাঁহাতি ওপেনার। একই ওভারে আউট হয়েছেন আব্দুল্লাহ শফিকও। ডানহাতি পেসারের পঞ্চম স্টাম্পের গুড লেংথ ডেলিভারিতে এজ হয়ে স্লিপে থাকা জো রুটকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।
শফিকের ক্যাচ নিয়ে স্টিভ স্মিথকে ছাড়িয়ে যান রুট। টেস্ট ক্রিকেটে ফিল্ডার হিসেবে সবচেয়ে ২২০ ক্যাচের মালিক এখন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। দুইয়ে থাকা স্মিথ ক্যাচ নিয়েছেন ২১৯টি। শূন্য রানে ২ উইকেট হারিয়ে দুঃস্বপ্নের মতো শুরু করে পাকিস্তান। তবে তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন শান মাসুদ ও আজান আওয়াইস। তারা দুজনে মিলে ৫২ রানের জুটি গড়ে দিনের বাকিটা সময় কাটিয়ে দিয়েছেন। আজান ২৯ ও মাসুদ ২১ রানে অপরাজিত আছেন।
সকালের শুরুতে ৪ উইকেট ১৫৬ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুত রান বাড়াতে থাকেন লরেঞ্চ ও ব্রুক। ওয়ানডে মেজাজের ব্যাটিংয়ে ৪৭ বলে হাফ সেঞ্চুরিও করেন লরেঞ্চ। ডানহাতি ব্যাটার পঞ্চাশ ছোঁয়ার একটু পর আউট হয়ে ফেরেন ব্রুক। রান আউট হয়ে ফিরতে হয়েছে ৯৭ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলা ইংলিশ ব্যাটারকে। ব্রুক ফেরার পর লরেঞ্চ ও স্মিথ মিলে ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে গেছেন।
৮২ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলা লরেঞ্চকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ ইমরান। দারুণ ব্যাটিংয়ে ৫২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন স্মিথ। ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটারও পঞ্চাশ ছোঁয়ার পরই ড্রেসিং রুমে ফেরেন। ৬৯ রানের ইনিংস খেলা স্মিথকে নিজের হাতেই ক্যাচ বানান রাজাউল্লাহ। শেষের দিকে রবিন ৪৭ বলে ৫০ ও জফরা আর্চার ৩২ রান করলে ৪৫৩ রানে অল আউট হয় ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের হয়ে অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ চারটি উইকেট পেয়েছেন।