দিনের শুরুতে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা। ৮৫ রানে অপরাজিত দিনুশা প্রসিধ কৃষ্ণের বলে চার মেরে সিরিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন। লাহিরু কুমারা আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে ধ্রুব জুরেলের দুর্দান্ত ক্যাচে ১৪ রানে ফেরেন। এরপর সারাংশ জৈনের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ১০৩ রানে থামেন দিনুশা। ফলে ২১৩ রানের লিড পায় ভারত এবং ফলোঅন করায় শ্রীলঙ্কাকে।
দ্বিতীয় ইনিংসে লাহিরু উদারা দ্রুত ফিরলেও কামিল মিশারা ও সুরিয়াবান্দারা পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রান যোগ করেন দুজন। মিশারাকে ৩২ রানে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন রবীন্দ্র জাদেজা। এরপর কামিন্দু মেন্ডিসকে নিয়ে সুরিয়াবান্দারা বড় প্রতিরোধ গড়েন।
জাদেজার বলে চার মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন সুরিয়াবান্দারা। এরপর প্রসিদ্ধের বলে ছক্কা মেরে ফিফটি পান কামিন্দুও। দুজনের জুটি ১০০ পেরিয়ে যাওয়ার পর প্রসিধের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে শুভমান গিলের দুর্দান্ত ক্যাচে ৫৩ রানে ফেরেন কামিন্দু। ততক্ষণে শ্রীলঙ্কা ভারতের লিড লিড পেড়িয়ে গেছে।
চা-বিরতিতে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান নিয়ে মাত্র ১৪ রানে পিছিয়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু শেষ সেশনে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। সুথারের বলে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ১৭ রানে এবং এরপর সুরিয়াবান্দারা ৯২ রানে আউট হন। সুরিয়াবান্দারা ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে বলের নাগাল না পেলে ঋষভ পান্ত সহজেই স্টাম্পিং করেন।
এরপর সারাংশ জৈনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ডিকওয়েলাও ফিরলে ২১৮ রানে ৬ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত দিনুশা ও কেশারা নুয়ান্থা টিকে থাকেন। আলো কমে যাওয়া ও বৃষ্টিতে আগেভাগে খেলা শেষ হওয়ায় শ্রীলঙ্কার হাতে এখন চার উইকেট, লিড ১৬।