আফগানিস্তান-ভারত সিরিজে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রযুক্তি ও কলাকুশলী

আফগানিস্তান-ভারত সিরিজ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের দিল্লিতে শ্রেয়াস আইয়ার-অভিষেক শর্মাদের আতিথ্য দেবে আফগানিস্তান। সাম্প্রতিককালে আফগানরা তাদের সব হোম ম্যাচ খেলছে ভারতের মাটিতে। ফলে প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে অ্যাওয়ে সিরিজ খেলবে ভারত। ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বরে অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া সিরিজে দেখা যাবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রযুক্তি ও কলাকুশলী।

আফগানিস্তান ও ভারতের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের স্বত্ব পেয়েছে আইটিডব্লিউ ইনিভার্স। সম্প্রচারক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি সিরিজে দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপের মানের সম্প্রচার। ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ও একাধিক উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল পরিচালনা করা কলাকুশলীরা সিরিজটি পরিচালনা করবেন।

এ প্রসঙ্গে স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা বলা হয়েছে, ‘এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজের সম্প্রচার পুরোপুরি ফিফা বিশ্বকাপের হোস্ট-ব্রডকাস্ট মানের তৈরি করা হবে। ফিফা বিশ্বকা পফাইনাল ও একাধিক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল পরিচালনা করা পরিচালকরা কাজ করবেন।’ সিরিজটি সম্প্রচার করবে সনি স্পোর্টস ও অনলাইন প্লাটফর্ম ফ্যানকোড।

কলাকুশলীর পাশাপাশি প্রযুক্তিতেও নতুনত্বের ছোঁয়া থাকবে। এআই স্ট্যাবিলাইজড পিওভি (পয়েন্ট অব ভিউ) ক্যামেরা, ভলিউমেট্রিক ফ্রি-ভিউ পয়েন্ট প্রযুক্তি, উন্নত স্পাইডারক্যাম, আল্ট্রা-মোশন এবং সিনেমাটিক ঘরানায় গল্প বলার কৌশল ব্যবহার করা হবে। পুরো সিরিজটি পরিচালনা করবেন জেমি ওকফোর্ড। ২০০২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ফিফা বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরই পরিচালনা করেছেন।

২০১৪ সালে আর্জেন্টিনা ও জার্মানির মধ্যকার ফাইনালেও দায়িত্বে ছিলেন ওকফোর্ড। অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) কুইডিচ ইনোভেশন ল্যাবসের স্প্যাটিও সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। যা ড্রোনের ফিড থেকে রিয়েল-টাইম অপটিক্যাল প্লেয়ার ট্র্যাকিং ও ব্রডকাস্ট-গ্রেড অগমেন্টেড রিয়েলিটি সরবরাহ করবে। এর মাধ্যমে ফিল্ডিং সাজানো বা কৌশলগত বিশ্লেষণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ভলিউমেট্রিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পিচ ও খেলোয়াড়দের নিয়ে রিয়েল-টাইম থ্রিডি ডিজিটাল টুইন তৈরি করা হবে। এতে ব্রডকাস্টাররা ভার্চুয়ালি যেকোনো অ্যাঙ্গেল থেকে রিপ্লে দেখাতে পারবেন, যা দর্শকের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হবে। আরেকটি বড় চমক হচেছ আলট্রা স্লো-মোশন ক্যামেরা সিস্টেমের ব্যবহার।

যার ফলে বল ডেলিভারি, ব্যাটের ছোঁয়া কিংবা স্টাম্পিং আউটের সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বচ্ছতা পাওয়া যাবে। কারণ প্রতি সেকেন্ডে ৬০০ বা তার অধিক ফ্রেম পাওয়া যাবে। ফলে অতি সূক্ষ্ম ও আকর্ষণীয় রিপ্লে তৈরি করা সম্ভব হবে। ভলিউমেট্রিক ফ্রি-ভিউ পয়েন্ট প্রযুক্তিতে পুরো পিচ ও প্রতিটি ক্রিকেটারের রিয়েল-টাইম থ্রিডি ডিজিটাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা যাবে।

আরো পড়ুন: