ভারতের প্রথম ইনিংসে ৮৩ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০ রান করেন তিনি। এমন পারফরম্যান্সে ভর করেই ২৭০ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় ভারত। এটি রানের ব্যবধানে নারী টেস্টে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ জয়। ২৯ বছর বয়সে ৩০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন তিনি।
ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী নারী ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন মান্ধানা। ফর্মের তুঙ্গে থাকা এই ক্রিকেটার এখন ভারতের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। অধিনায়কত্ব নিতে প্রস্তুত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে মান্ধানা বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই। আমি প্রস্তুত।’
নেতৃত্ব নিয়ে নিজের ভাবনা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের মধ্যে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা। প্রত্যেক খেলোয়াড় যেন নিজের মত প্রকাশ করতে পারে এবং নিজের মতো থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। মানুষ যখন নিজেকে মূল্যায়িত ও বিশ্বাসযোগ্য মনে করে, তখন তারা আরও ভালো পারফর্ম করে।’
উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক হিসেবে ২০২৪ ও ২০২৬ সালে দলকে শিরোপা জিতেছেন মান্ধানা। সেই অভিজ্ঞতাই আরও শানিত করেছে মান্ধানাকে। আপাতত তার মনোযোগ ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেই পরিকল্পনা নিয়েই এখন ভারতের এগোনো উচিত বলে মনে করেন তিনি।
মান্ধানা যোগ করেন, ‘নিজেদের ভুলগুলো নিয়ে আত্মসমালোচনা করা এবং সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা অতীতের ভুল থেকে যথেষ্ট শিক্ষা নিতে পারিনি এবং একই ভুল বারবার করেছি। সামনে ২০২৮ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে। এই সংস্করণে আমরা কীভাবে খেলতে চাই এবং দল হিসেবে কী করতে হবে, তা পরিষ্কারভাবে ঠিক করতে হবে।’
এদিকে ২০২৬ এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। জাপানে ১৭ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে নারী ক্রিকেটের ম্যাচগুলো। লর্ডসে ঐতিহাসিক জয়ের এবার এশিয়ারের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে ভারত। এই টুর্নামেন্টেও ভারতের সহ অধিনায়কের ভূমিকায় থাকবেন মান্ধানা। অধিনায়ক থাকবেন হারমানপ্রীত কৌর।