ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা তিন ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন উইকেটকিপার ব্যাটার সাঞ্জু। এরপর জিম্বাবুয়ে সফরের দলেও জায়গা হয়নি তার। বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তরুণদের সুযোগ করে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন জর্জ ।
তিনি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন, ‘শুধু সাঞ্জুই তো ব্যর্থ হয়নি।' এই এই কোচের মতে, যিনি ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, তাকে এভাবে বাদ দেওয়া অন্যায্য। এমনকি তার প্রতিভা ও সামর্থ্য নিয়েও কোনো প্রশ্ন নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
জর্জ বলেন, ‘আমি মানছি, সে তিনটি ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু শুধু সাঞ্জুই তো ব্যর্থ হয়নি। তাই না? ওর প্রতিভা বা সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্নই নেই। ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা ওর আছে, সেটা সবাই জানে। সে আপনাদের বিশ্বকাপ জিতিয়েছে। এরপর আপনারা কীভাবে ওর সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারেন?’
জিম্বাবুয়ে সফর থেকেও বাদ পড়ার পর সাঞ্জু নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাবেন কবে? একই সঙ্গে তরুণদের সুযোগ দেয়ার যুক্তিরও সমালোচনা করেন তিনি। ক্যারিয়ারের লম্বা সময় ধরেই জাতীয় দলে ব্রাত্য ছিলেন স্যামসন। বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৪৬ রান।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ৯৭ অপরাজিত, ৮৯ ও ৮৯ রানের তিনটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ভারতকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন। সেই পারফরম্যান্সের জন্য টুর্নামেন্টসেরাও নির্বাচিত হন তিনি। এরপর আইপিএলেও ১৪ ম্যাচে ধারাবাহিক ব্যাটিং করে ৪৭৭ রান করেন। স্যামসন এইভাবে পারফরম্যান্স না করলে বিশ্বকাপ জিতত না ভারত। পাশাপাশি নির্বাচকরাও চাকরী হারাতেন বলে মন্তব্য করেছেন জর্জ।
তিনি বলেন, ‘আসলে বিষয়টা যদি দেখেন, সাঞ্জু যদি ওই টানা তিনটি অসাধারণ ইনিংস না খেলত, তাহলে কোনো নির্বাচকই নিজের পদে থাকতে পারতেন না, প্রধান নির্বাচকও না। পুরো দলকেই বিদায় করা হতো। তাই না? এখন যে অধিনায়ক আপনাদের বিশ্বকাপ জিতিয়েছে, যে খেলোয়াড় টুর্নামেন্টসেরা হয়েছে, তাকেই বাদ দেওয়া হয়েছে। এটা সত্যিই হাস্যকর।’