২০২৫ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন লিভিংস্টোন। এরপর থেকে আর কোনো ফরম্যাটের দলেই সু্যোগ দেয়া হয়নি ইংল্যান্ডের জার্সিতে ১০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই অলরাউন্ডারকে। কয়েকদিন আগে লিভিংস্টোন জানান, দল থেকে বাদ পড়া ক্রিকেটারদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করা হয়। লিভিংস্টোনের সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ ছিলো কি'র ওপর।
তিনি বলেছিলেন, 'রব বলেছিল, 'তোমার সঙ্গে কথা বলার চেয়ে আরও ১০০টা গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে আমার।' এতেই দলের মনোভাব বুঝা যায়।'
অ্যাশেজ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যর্থ অভিযানের পর অধিনায়ক বেন স্টোকস ও কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের সাথে কি'র চাকরিও ঝুলছিলো অনিশ্চয়তার সুতায়। তবে চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে যাবার পরই লিভিংস্টোনের গুরুতর অভিযোগের জবাব দেন তিনি।
অভিযোগের জবাবে কি বলেন, 'আমি ব্যক্তিগত কথোপকথনে যাব না। ওই আলোচনার আরেকটা দিকও আছে, যেটা আমি দেখেছি। তবে আমি লিয়ামকে বলেছিলাম, তার মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে ইংল্যান্ড দলে নির্বাচনের বাইরে রাখার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।'
কি আরও বলেন, 'একসময় আমরা তাকে অধিনায়ক করার কথাও ভেবেছিলাম, যখন দলে সব সিনিয়র খেলোয়াড় ছিল না। (২০২৪ সালের শেষের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে সিরিজের প্রসঙ্গে) এটাই বোঝায় আমরা তাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম। এখনও তার জন্য আমার অনেক সময় ও শ্রদ্ধা আছে, আর ৩২ বছর বয়সে তার ইংল্যান্ড ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই।'
শুধু কি নয়, পুরো টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধেই গুরুতর অভিযোগ তোলেন লিভিংস্টোন। দল থেকে বাদ পড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, 'আমার মনে হয় এক মিনিটেরও কম সময় ম্যাকালামের সঙ্গে কথা হয়েছিল। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, 'কেন বাদ দেয়া হচ্ছে?' উনি বলেছিলেন, নতুন কাউকে খেলাতে চান। এটা তো বাজের (ম্যাককালাম) কথা বললাম। রাইটিও (সাবেক নির্বাচক লুক রাইট) কোনো কথা বলেনি। ব্রুকি (হ্যারি ব্রুক) মাত্র একটা বার্তা পাঠিয়েছিল।'
ক্রিকেট দলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে সবার হয়ে এসব অভিযোগের জবাব দেন কি। কি বলেন, 'এই ধরনের দায়িত্বে থাকলে, বিশেষ করে যখন ফল ভালো না হয় তখন এমন মানুষ থাকবে যাদের তুমি অসন্তুষ্ট করবে। সবাইকে খুশি রেখে এই কাজ করা সম্ভব না। কোচ হও বা আমার মতো নেতৃত্বের ভূমিকা সব জায়গাতেই এমনটা হবে, এটা জীবনের অংশ।'